24 C
Dhaka
Friday, May 8, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনডোনাল্ড ট্রাম্প গ্র্যামি শো ও ট্রেভর নোহাকে লক্ষ্য করে সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য...

ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্র্যামি শো ও ট্রেভর নোহাকে লক্ষ্য করে সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য ও আইনি হুমকি

২০২৬ সালের গ্র্যামি পুরস্কার অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শো এবং হোস্টের প্রতি তীব্র সমালোচনা ও আইনি হুমকি প্রকাশ করেন। তিনি এই মন্তব্যগুলো রবিবার রাতের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে পোস্ট করেন।

গ্র্যামি অনুষ্ঠানটি সিবিএস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ দর্শকের নজরে আসে। ডোনাল্ড ট্রাম্প শোকে “সবচেয়ে খারাপ” এবং “দেখা কঠিন” বলে সমালোচনা করেন, এবং সিবিএসকে এই ধরনের অনুষ্ঠান আর না দেখানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের পোস্টে তিনি হোস্ট ট্রেভর নোহার দিকে সরাসরি আক্রমণ চালান। নোহা অনুষ্ঠানের সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডের ইচ্ছা এবং এপস্টেইন সংক্রান্ত রসিকতা করেন, যা ট্রাম্পকে রাগান্বিত করে।

নোহার মন্তব্যে তিনি ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডের আকাঙ্ক্ষা এবং এপস্টেইন মৃত্যুর পর নতুন দ্বীপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হাস্যকর উপায়ে উল্লেখ করেন, এবং ট্রাম্পকে “শেষ বছর” বলে সমাপ্তি টানেন। এই রসিকতা নোহার মঞ্চে স্বল্প সময়ের মধ্যে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরে তিনি নোহাকে “একজন সম্পূর্ণ পরাজিত” বলে সমালোচনা করেন এবং তার তথ্য দ্রুত সঠিক করতে আহ্বান জানান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তিনি তার আইনজীবীদের মাধ্যমে নোহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পরিকল্পনা করছেন।

ট্রাম্পের পোস্টে “লিটল জর্জ স্লোপাডোপোলাস” এবং সিবিএসের উদাহরণ দিয়ে তিনি পূর্বের আইনি পদক্ষেপের ফলাফল উল্লেখ করেন, এবং নোহাকে “প্রস্তুত হও, আমি তোমার সঙ্গে মজা করব” এমন হুমকি যুক্ত করেন। এই মন্তব্যগুলো সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

গ্র্যামি অনুষ্ঠানে কিছু শিল্পীও রাজনৈতিক বার্তা প্রকাশ করেন। রেড কার্পেটে বিলি ইলিশ, জাস্টিন ও হেইলি বিবার, ফিনিয়াস এবং কেহলানি “আইস আউট” পিন পরিধান করে ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এই প্রতিবাদের পটভূমি মিনিয়াপোলিসে রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেট্টি হত্যাকাণ্ড।

বিলি ইলিশ শোয়ের প্রধান বিজয়ী হিসেবে “সোং অফ দ্য ইয়ার” জিতার সময় তার গ্রহণ বক্তৃতায় ইমিগ্রেশন নীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে তিনি কোনো অতিরিক্ত মন্তব্য না করলেও, ইমিগ্রেশন সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা জরুরি।

ব্যাড বানি তার স্বীকৃতি বক্তৃতায় একই বিষয় তুলে ধরেন এবং ইমিগ্রেশন শাসনের কঠোরতা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে শিল্পীদের স্বাধীনতা ও মানবিক অধিকার রক্ষা করা উচিত।

অন্যান্য শিল্পীও গ্র্যামি মঞ্চে সামাজিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন, তবে প্রধান ফোকাস ছিল ইমিগ্রেশন ও মানবাধিকার সংক্রান্ত উদ্বেগ। এই বিষয়গুলো অনুষ্ঠানের সামগ্রিক পরিবেশে একটি রাজনৈতিক মাত্রা যোগ করে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ও হুমকি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নাগরিক গোষ্ঠী থেকে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তবে এই প্রতিবেদন শুধুমাত্র ঘটনার মূল তথ্য উপস্থাপন করে, কোনো বিশ্লেষণ না দিয়ে।

গ্র্যামি শোয়ের সমালোচনা, নোহার রসিকতা এবং ট্রাম্পের আইনি হুমকি ২০২৬ সালের সঙ্গীত ইভেন্টকে রাজনৈতিক আলোচনার মঞ্চে পরিণত করেছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা এখনও অনিশ্চিত, তবে শিল্প ও রাজনীতির সংযোগ স্পষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments