18 C
Dhaka
Monday, February 2, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশফিকুর রহমানের পথসভা: একদল লোকের ক্ষমতা গ্রহণে দেশের অস্তিত্ব ঝুঁকিতে

শফিকুর রহমানের পথসভা: একদল লোকের ক্ষমতা গ্রহণে দেশের অস্তিত্ব ঝুঁকিতে

শফিকুর রহমান, জামায়াত-এ-ইসলামি’র আমির, রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা‑১৫ আসনের গণসংযোগের পর ইব্রাহিমপুর পুলপার এলাকায় একটি পথসভা আয়োজন করেন। সভায় তিনি দেশের শীর্ষে একদল লোকের ক্ষমতা গ্রহণের সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে সতর্কতা জানান। তার মতে, এমন অবস্থায় দেশের মৌলিক অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে।

রওয়ানা সময়ে তিনি উল্লেখ করেন, যদি এই গোষ্ঠীকে দেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে তারা দেশের সম্পদ ও জনগণের নিরাপত্তা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তিনি ৫৬ হাজার বর্গমাইল এলাকা ও ১৮ কোটি মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি দৃশ্য কল্পনা করে বলেন, এমন নেতৃত্বের অধীনে দেশ আর টিকে থাকবে না।

শফিকুর রহমান ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি অতীতের পচা রাজনীতিকে ফ্যাসিবাদের জন্মস্থান হিসেবে চিহ্নিত করে, ভোটারদের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে আহ্বান জানান। তার মতে, যারা সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজি চালায়, তাদের হাতে দেশ দেওয়া উচিত নয়।

মঞ্চে তিনি সম্প্রতি তার টুইটার (এক্স) অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করেন। হ্যাক করা পোস্টটি তিনি ‘নোংরা’ বলে বর্ণনা করে, তার দল ইতিমধ্যে উৎস চিহ্নিত করে এবং জনসাধারণের সামনে প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ধরনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না এবং তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হবে।

শফিকুর রহমানের বক্তব্যে তিনি ফ্যাসিস্টদের প্রতি শূন্য সহনশীলতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, হাসিনার মতো কোনো ফ্যাসিস্টকে উপেক্ষা করা যাবে না এবং অন্য কোনো ফ্যাসিস্টের প্রতি দৃষ্টিপাতের কোনো প্রশ্নই উঠবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পথসভায় তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার সমর্থকদের উত্থানকে ‘দাঁড়িপাল্লার জোয়ার’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এই জোয়ারের মুখে বিরোধীরা ভীত ও সন্ত্রস্ত, এবং তারা ক্ষমতা অর্জনের জন্য অযথা হিংসা ও আক্রমণ চালাচ্ছে। তার মতে, জনগণ ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটে তা প্রতিফলিত হবে।

ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দেন। তিনি ভোটের সময় কোনো চোরকে চোরাই থাকতে দেবেন না, জালিয়াতি করা যাবে না এবং কোনো ইঞ্জিনিয়ারকে তার কাজের বাইরে ব্যবহার করা যাবে না, এমন শর্ত আরোপ করেন। তিনি ভোটারদের সতর্ক করেন, ফলাফল নিশ্চিত করার পর ঘরে ফিরে নিরাপদে থাকতে হবে।

শফিকুর রহমানের সঙ্গে জামায়াত-এ-ইসলামি’র নির্বাচনী সমন্বয়কারী মোবারক হোসাইনও উপস্থিত ছিলেন। মোবারক হোসাইন দলীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং নির্বাচনী আসনের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করেন। তিনি রওয়ানার শেষে দলের সংগঠন ও কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

শফিকুরের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ভোটের ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। জামায়াত-এ-ইসলামি এই ভোটকে দেশের স্বাধিনতা ও ন্যায়বিচার রক্ষার প্রধান সুযোগ হিসেবে দেখছে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments