ঢাকা‑এর গুলশানের বিএনপি চেয়ারপার্সনের অফিসে আজ সন্ধ্যা প্রায় সাতটায় জামায়াত‑ই‑ইসলামি আমীর ড. শফিকুর রহমান তরিকের রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দু’পক্ষের এই সাক্ষাৎকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শোক প্রকাশ করা।
সাক্ষাৎকারে বিএনপি সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। দুজনের উপস্থিতি সাক্ষাৎকারের আনুষ্ঠানিকতা বাড়িয়ে তুলেছে এবং উভয় দলের শীর্ষ নেতাদের সমবেত উপস্থিতি নির্দেশ করে।
মিটিংটি গুলশানের ওই অফিসের প্রধান কক্ষেই অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রায় সাতটায় শুরু হওয়ার পর থেকে কতক্ষণ চলেছে তা স্পষ্ট নয়। উপস্থিত সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, মিটিংয়ের সময় কোনো অতিরিক্ত বিষয় আলোচনা হয়েছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
খালেদা জিয়া, যিনি ১৯৯১‑১৯৯৬ এবং ২০০১‑২০০৬ পর্যন্ত দু’বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তার মৃত্যুর খবর দেশের রাজনৈতিক জগতে শোকের ছায়া ফেলেছে। তার মৃত্যুতে উভয় দলই সমবেদনা জানিয়ে, রাজনৈতিক শৃঙ্খলায় একত্রিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
দুই দলের শীর্ষ নেতাদের এই সমবেদনা প্রকাশের মাধ্যমে রাজনৈতিক মঞ্চে এক ধরনের ঐক্যবদ্ধ সুর দেখা যায়। যদিও মিটিংয়ের সময় অন্য কোনো বিষয় আলোচিত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়, তবে এই ধরনের সাক্ষাৎকার ভবিষ্যতে পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।
দু’পক্ষের এই সমবেদনা সভা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে ধরা যেতে পারে, যেখানে বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও মানবিক দিকের সমঝোতা প্রকাশ পায়। তবে, মিটিংয়ের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং অতিরিক্ত আলোচনার বিষয়গুলো সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জামায়াত‑ই‑ইসলামি এবং বিএনপি উভয়ই খালেদা জিয়ার পরিবারকে সমর্থন জানিয়ে, দেশের রাজনৈতিক ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের সমবেদনা প্রকাশের ধারাবাহিকতা রাজনৈতিক সংলাপের নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।



