গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে এক ব্যক্তির ওপর আক্রমণ করা হয়, যার ফলে ৪৩ বছর বয়সী মোকলেছ মোল্যা প্রাণ হারান। ঘটনাস্থল ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল নাজিরের মোড়, যেখানে স্থানীয় পুলিশ ও সিভিল অধিকারী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে।
স্থানীয় কাশিয়ানী থানার ওসির মতে, সন্ধ্যাবেলা প্রায় ছয়টায় হঠাৎ করে একদল অপরিচিত ব্যক্তি ওই মোড়ে উপস্থিত হয় এবং মোকলেছকে লক্ষ্যবস্তু করে। আক্রমণকারী গোষ্ঠী ধারালো ছুরি বা কাঁচি ব্যবহার করে দ্রুত মোকলেছের গলা ও কাঁধে আঘাত হানেন।
মোকলেছ মোল্যা, আবুল কালাম মোল্যার পুত্র, স্থানীয় সমাজে পরিচিত ছিলেন। তার বয়স ৪৩ বছর এবং তিনি একই এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার আগে তার কোনো শত্রুতা বা বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।
আক্রমণের পর এক ব্যক্তি সাকিব নামের সন্দেহভাজন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। অন্য দুইজন অপরাধী মোকলেছের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘন ঘন আঘাত হানেন, যার ফলে তার শিরা রক্তপাত তীব্র হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা তৎক্ষণাৎ মোকলেছকে উদ্ধার করে নিকটস্থ গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় মোকলেছের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ ছিল; রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে না থাকায় শিরা রক্তপাত দ্রুত বাড়ছিল। চিকিৎসা দল দ্রুত জরুরি শল্যচিকিৎসা চালু করে, তবে রক্তক্ষরণের পরিমাণ অতিরিক্ত হওয়ায় তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন।
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক এ কে এম সিরাজুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা আটটায় মোকলেছকে গুরুতর রক্তক্ষরণে আক্রান্ত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। রোগীর রক্তের ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও রক্তপাতের তীব্রতা অতিরিক্ত হওয়ায় তিনি হাসপাতালে পৌঁছানোর মুহূর্তেই প্রাণ হারান।
কাসিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান উল্লেখ করেন, ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি, তবে সন্দেহভাজন সাকিবসহ অপরাধীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ দ্রুত অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ দল ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ এবং সাক্ষী সংগ্রহে ব্যস্ত।
মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের



