ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টে ১৫ ফেব্রুয়ারি রামায়ণ: দ্য লেজেন্ড অফ প্রিন্স রামা ছবির বিশেষ স্ক্রিনিং অনুষ্ঠিত হবে। পার্লামেন্টের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে লোকে শাসনের উঁচু স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। ছবিটি ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম মহাকাব্যের আধুনিক ব্যাখ্যা হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।
ফিল্মটি ১৯৮০ থেকে ১৯৯২ সালের মধ্যে নির্মিত হয় এবং জাপান ও ভারতের সৃজনশীল সহযোগিতার ফল। টিএইএম কো., লিমিটেড এবং নিপ্পন রামায়ণ ফিল্ম কো., লিমিটেডের আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পটি সম্পন্ন হয়। বহু জাপানি ও ভারতীয় শিল্পী ও প্রযুক্তিবিদ একত্রে কাজ করে এই মহাকাব্যের পুনর্নির্মাণে অবদান রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ম্যান্কি বাত্ো অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি রামায়ণ চলচ্চিত্রের উল্লেখ করেন, যা পার্লামেন্টের স্ক্রিনিংকে ত্বরান্বিত করেছে। তার এই সমর্থন চলচ্চিত্রের সাংস্কৃতিক ও শিল্পমূল্যকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরেছে।
প্রদর্শনীতে লোকে শাসনের স্পিকার শ্রী ওম বীরলা উপস্থিত থাকবেন এবং অনুষ্ঠানের শীর্ষে সমাবেশের আয়োজন করবেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রামায়ণের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রামায়ণকে ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এবং এই স্ক্রিনিংয়ের লক্ষ্য হল তার শিক্ষামূলক দিককে জোরদার করা। পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের বিশেষ আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা একত্রে চলচ্চিত্রের বার্তা গ্রহণ করবেন।
চলচ্চিত্রের উৎপাদনকাল জাপানি কোম্পানির আর্থিক সহায়তা এবং দুই দেশের সৃজনশীল মেলবন্ধনের ফল। জাপান ও ভারতের শিল্পী ও প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে রামায়ণের গল্পকে আধুনিক সাউন্ড ও ভিজ্যুয়াল প্রযুক্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এই সহযোগিতা ভারত-জাপান সংস্কৃতি সংযোগের একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উভয় দেশের সৃজনশীল শক্তি একত্রে কাজ করে একটি আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র তৈরি করেছে, যা এখন দেশের বিভিন্ন থিয়েটারে প্রদর্শিত হচ্ছে।
পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ প্রদর্শনীতে উভয় সংসদের সদস্য, পাশাপাশি সংস্কৃতি ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেবেন। তাদের উপস্থিতি চলচ্চিত্রের সাংস্কৃতিক গুরুত্বকে আরও দৃঢ় করবে।
গিক পিকচার্স সকল সিনেমা প্রেমিক ও সংস্কৃতি অনুরাগীদেরকে এই চলচ্চিত্রটি দেখতে আহ্বান জানাচ্ছে। রামায়ণ: দ্য লেজেন্ড অফ প্রিন্স রামা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সিনেমা হলে চলমান, এবং এই স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে আরও বৃহত্তর দর্শকগোষ্ঠীকে আকৃষ্ট করা হবে।
জাতীয় নেতাদের এই স্বীকৃতি চলচ্চিত্রের শিল্পগত প্রভাবকে আরও উঁচুতে তুলে ধরেছে। রামায়ণের গল্পকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করে চলচ্চিত্রটি শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
দর্শকরা যদি বড় পর্দায় এই মহাকাব্যিক রূপান্তর উপভোগ করতে চান, তবে টিকিটের তথ্য ও বুকিংয়ের জন্য বি.এম.এস.ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। চলচ্চিত্রের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আরও বিস্তারিত পাওয়া যাবে।
এই পার্লামেন্ট স্ক্রিনিং রামায়ণের ঐতিহ্যিক মূল্যবোধকে সমসাময়িক সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হবে, এবং সংস্কৃতি ও শিল্পের সংযোগকে আরও শক্তিশালী করবে।



