18 C
Dhaka
Monday, February 2, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ চরমনাই পীর লাকস্মীপুরে জামায়াত‑এ‑ইসলামির গোপন বৈঠক ও ন্যায়বিচার পরিকল্পনা...

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ চরমনাই পীর লাকস্মীপুরে জামায়াত‑এ‑ইসলামির গোপন বৈঠক ও ন্যায়বিচার পরিকল্পনা সমালোচনা

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমনাই পীর (সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম) লাকস্মীপুরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী র্যালিতে জামায়াত‑এ‑ইসলামি ও বিএনপির শাসন নীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি এই দলগুলো ক্ষমতায় আসে, তবে কোন নীতি‑নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের পরিচালনা করবে এবং তা কি দেশের স্বার্থে হবে।

পীর উল্লেখ করেন, পূর্বে গৃহীত নীতিগুলোতে হাজার হাজার মা বিধবা হয়ে গেছেন, দেশের অর্থ বিদেশে ‘বেগুমপুরা’ নির্মাণে গলিয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং প্রতিবাদে বের হওয়া মানুষদের নিখোঁজ বা নিহত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব নীতির ভিত্তিতে আবার শাসন চালিয়ে যাওয়া দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ।

চরমনাই পীর আরও জানান, জামায়াত‑এ‑ইসলামি “গোপন বৈঠক” করে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে ন্যায়বিচার গড়ে তুলতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাংলাদেশি জনগণ এমন বিদেশি মডেলের ন্যায়বিচার গ্রহণ করতে চায় না এবং তা দেশের স্বায়ত্তশাসনের বিরোধী।

তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত‑এ‑ইসলামি‑নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোট স্পষ্টভাবে শারিয়া আইন না চালিয়ে বর্তমান সংবিধানিক ব্যবস্থায় শাসন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পাশাপাশি, জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণা নন্দি স্বীকার করেছেন যে জামায়াত‑এ‑ইসলামি কোনো ইসলামিক দল নয়। এই বক্তব্যকে পীর দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন।

পীর প্রশ্ন তোলেন, ৫৪ বছর ধরে বিদ্যমান ব্যবস্থায় সমতা-ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার কথা বলা হলেও একই কাঠামোর মধ্যে কীভাবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তিনি বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা দেখায় যে একই সিস্টেমে সমতা নিশ্চিত করা কঠিন।

ভোটারদের “হাতফ্যান” প্রতীকের (ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতীক) পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে পীর বলেন, এই প্রতীক নির্বাচন হলে শান্তি, সুশাসন, জনগণের অধিকারিক দায়িত্বের সঠিক বিতরণ এবং দুর্নীতি নির্মূল হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হাতফ্যানের মাধ্যমে ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

চরমনাই পীর শেষ পর্যন্ত ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশকে ইসলামী নীতির ভিত্তিতে দেশের শাসন পরিচালনার সুযোগ দিতে জনগণকে অনুরোধ করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, ইসলামী নীতি অনুসারে শাসন করলে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এই র্যালি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে হাতফ্যান প্রতীকী দলকে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জনের সুযোগ দিতে পারে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, যদি ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য ভোট পায়, তবে বর্তমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন সমন্বয় ও নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা বাড়বে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments