30 C
Dhaka
Sunday, May 3, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনতুন বছরের উদযাপনে ৩৮১টি শব্দদূষণ অভিযোগ, পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণে

নতুন বছরের উদযাপনে ৩৮১টি শব্দদূষণ অভিযোগ, পুলিশ ব্যবস্থা গ্রহণে

ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন বছরের ২০২৬ উদযাপন চলাকালীন শব্দদূষণ সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা বেড়েছে। রাতের অর্ধরাত থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন ৯৯৯-এ মোট ৩৮১টি কল রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে আতশবাজি, উচ্চস্বরে সঙ্গীত এবং অন্যান্য শোরগোলের কারণে শব্দের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই অভিযোগগুলোের মধ্যে ৯৬টি কল ঢাকা মহানগর থেকে এসেছে, আর বাকি ২৮৫টি কল শহরের বাইরের অঞ্চল থেকে। অভিযোগের উৎসের এই পার্থক্য পুলিশকে শহরের ভেতরে ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই তৎপরতা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে।

প্রতিটি অভিযোগ ৯৯৯ হেল্পলাইন থেকে সংশ্লিষ্ট থানা ও পুলিশ স্টেশনে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী ইউনিটগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে এবং শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের জানানোর মতে, অভিযোগের ভিত্তিতে থানা-থানা পর্যায়ে তদারকি দল গঠন করা হয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় শব্দ উৎপাদনকারী উৎসগুলোকে চিহ্নিত করে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অপ্রয়োজনীয় শোরগোলের জন্য জরিমানা আরোপের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই তথ্যগুলো একটি প্রেস রিলিজে প্রকাশিত হয়েছে, যার স্বাক্ষরকারী হলেন হেল্পলাইনের মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস অফিসার ইনস্পেক্টর আনোয়ার সত্তার। রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযোগের পরিমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ধরনের শোরগোল রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

একই সময়ে, ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় জরুরি পুনর্বাসন কাজের জন্য গ্যাসের চাপ কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার থেকে প্রায় দশ ঘণ্টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ হ্রাস করা হবে, যাতে পুনর্বাসন কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এই কাজটি স্থানীয় গ্যাস সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত হবে এবং প্রভাবিত এলাকায় বাসিন্দাদের পূর্বে জানানো হয়েছে।

শব্দদূষণ সংক্রান্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, পুলিশ আইনগত দিক থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন (২০১৯) অনুসারে জরিমানা ও অন্যান্য শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে। সংশ্লিষ্ট থানা-থানা এখন থেকে রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শব্দের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ করবে।

অবশেষে, কর্তৃপক্ষ জনসাধারণকে আহ্বান জানিয়েছে যে, উদযাপনের আনন্দ বজায় রেখে শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করবে। ভবিষ্যতে এমন ধরনের অভিযোগ কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনগত শাস্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ উদযাপন নিশ্চিত করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments