বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নারী টেনিস খেলোয়াড় আর্যনা সাবালেনকা বৃহস্পতিবার ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনাল শুরু হওয়ার আগে জানিয়েছেন যে, তিনি নিক কিরগোসের সঙ্গে গত রবিবার দুবাইতে অনুষ্ঠিত ‘ব্যাটল অফ দ্য সেক্সেস’ শিরোনামের প্রদর্শনী ম্যাচের রিম্যাচ চান। কিরগোস ৬-৩, ৬-৩ স্কোরে সাবালেনকাকে পরাজিত করলেও, বেলারিনার রিভেঞ্জের ইচ্ছা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সাবালেনকা এই ম্যাচকে তার মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছেন এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে এই সুযোগটি পুনরায় নিতে ইচ্ছুক।
দুবাইতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই খেলোয়াড়ের জন্য বিশেষ নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছিল। সাবালেনকার দিকের কোর্টের প্রস্থকে প্রায় নয় শতাংশ কমিয়ে তার শক্তি ও গতি সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়, আর প্রতিটি খেলোয়াড়কে মাত্র একবার সার্ভ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তন সত্ত্বেও, কিরগোস তার আক্রমণাত্মক শৈলী বজায় রেখে দুই সেটে স্বচ্ছন্দে জয়লাভ করেন। স্কোরের বিশদে দেখা যায়, প্রথম সেটে ৬-৩ এবং দ্বিতীয় সেটেও একই ফলাফল দিয়ে কিরগোস বিজয়ী হন।
সাবালেনকা বলছেন, যদি আবার এমনই একটি ম্যাচ হয়, তবে তিনি সম্পূর্ণ কোর্ট এবং দু’বার সার্ভের সুযোগ চাইবেন। তিনি উল্লেখ করেন, “পরবর্তী ম্যাচে আমরা ভিন্ন ফরম্যাট নিয়ে আলোচনা করতে পারি” এবং “সম্পূর্ণ কোর্টে দু’বার সার্ভ থাকলে সমতা আরও বজায় থাকবে”। তার মতে, বর্তমান সীমাবদ্ধতা তাকে মানিয়ে নিতে বাধ্য করেছে, যা তিনি ভবিষ্যতে এড়াতে চান।
ম্যাচের পরে সাবালেনকা স্বীকার করেন যে, কিরগোসের খেলা সম্পর্কে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। তিনি বলেন, “হারার সময়ই শেখা যায়” এবং কিরগোসের শক্তি ও কৌশল বিশ্লেষণ করে তিনি নিজের গেমে উন্নতি করার সুযোগ পেয়েছেন। রিভেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি আবারও জোর দেন, “আমি আবার করব, রিভেঞ্জ দরকার”।
এই প্রদর্শনীকে ১৯৭৩ সালের বিখ্যাত “ব্যাটল অফ দ্য সেক্সেস” ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, তবে দু’টি ইভেন্টের পটভূমি ভিন্ন। ১৯৭৩ সালে বিলি জিন কিং ও ববি রিগসের মুখোমুখি লড়াইয়ে, নারী টেনিসের স্বীকৃতি ও পুরুষদের তুলনায় কম পুরস্কার সমস্যার সমাধান ছিল মূল লক্ষ্য। সেই সময় কিং ৬-৪, ৬-৩, ৬-৩ স্কোরে রিগসকে পরাজিত করে নারী টেনিসের মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। সাবালেনকা-কিরগোসের ম্যাচে ঐ ঐতিহাসিক গুরুত্বের অনুপস্থিতি স্পষ্ট।
দুবাইয়ের ম্যাচের ফরম্যাট নিয়ে কিছু ভক্ত ও বিশ্লেষক এটিকে “টাকার জন্য” করা শো বলে সমালোচনা করেন, অন্যদিকে কেউ কেউ বলেন যে এই ধরনের প্রদর্শনী নারী টেনিসের উন্নয়নে সহায়ক নয়। তবে সাবালেনকা জোর দিয়ে বলেন, টেনিসকে আকর্ষণীয় রাখতে এমন ইভেন্টের প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, “প্রদর্শনী টেনিস দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখে এবং খেলাটিকে নতুন রঙ দেয়”। তার মতে, এমন ম্যাচ



