বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল আওয়ামী লীগের ভোট পেতে তাদের বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করে না।
তিনি বলেন, এই দলটি ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছে যে তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। কিন্তু প্রশ্ন হল, সেই মুক্তিযুদ্ধ কি পাকিস্তানের পক্ষে ছিল?
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ যে পরিমাণ টাকা তছরুপ করেছে, সেটা দিয়ে বাংলাদেশের দুটি শিক্ষা বাজেট করা যায়। তিনটি স্বাস্থ্য বাজেট করা যায়।
বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে প্রকাশিত ‘শ্বেতপত্র’ নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকিং ও নন–ব্যাংকিং ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর থেকে যে লুটপাট হয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় যে ঋণ দেওয়া হয়েছে, যেটি তছরুপ হয়েছে, সেটা দিয়ে ২৪টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা যেত।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অনেক সচেতন। এখন আর ধর্মের বিড়ি বিক্রি করে বাংলাদেশের জনগণের সামনে ভোট চাওয়া যাবে না।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা প্রসঙ্গেও সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বিভিন্নভাবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী করার জন্য গণতন্ত্রের প্রতি সকলের সমর্থন প্রয়োজন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, যারা নিজের দেশের নাগরিককে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে হত্যা করেছে, নারী–শিশুনির্বিশেষে শতসহস্র মানুষকে হত্যা করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, এই ইতিহাস যেন আমরা ভুলে না যাই।
বাংলাদেশের জনগণ এই ইতিহাসকে স্মরণ করে ভোটের ময়দানে অংশ নেবে বলে আশা করা যায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের জনগণ এই বক্তব্যকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং ভোটের ময়দানে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করা যায়।



