নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যার সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু অংশীজনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের মধ্যে প্রথম এবং প্রধান অংশীজন হলো নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিকভাবে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, যার দায়িত্ব সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।
সরকার অর্থাৎ সরকারের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক দল এবং তাদের প্রার্থীরা নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রাজনৈতিক দল যদি সদাচরণ বজায় রাখে এবং প্রার্থীরা যদি ছলে-বলে-কৌশলে নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য ব্যাকুল না হন, তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব।
নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমও নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নাগরিক সমাজকে ওয়াচডগ-এর ভূমিকা পালন করে জনগণকে সচেতন ও সোচ্চার করতে হবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন নিয়ে যে বিরোধ, সহিংসতা এবং বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা নির্বাচনী পরিবেশকে অনেকটা কলুষিত করছে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। গতকাল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। এখন প্রার্থী চূড়ান্ত করার পালা শুরু হবে। এই পর্যায়ে অশুভ প্রতিযোগিতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
মনোনয়ন পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীরা ছলে-বলে-কৌশলে সর্বশক্তি নিয়োগ করলে তা সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে। তাই এখন বলটা রাজনৈতিক দলের কোর্টেই। রাজনৈতিক দলগুলোকে সদাচরণ বজায় রাখতে হবে, সহিংসতা থেকে দূরে থাকতে হবে এবং নিজেদের মধ্যকার অশুভ প্রতিযোগিতা পরিহার করতে হবে। তাহলেই নির্বাচনের পথ সুগম হবে।
নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করার জন্য সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন, সরকার, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাহলেই সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করার জন্য সকল স্টেকহোল্ডারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন, সরকার, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে একসাথে কাজ করে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করা সম্ভব। তাহলেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন, সরকার, রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে একসাথে কাজ করে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করা সম্ভব। তাহলেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে।



