28 C
Dhaka
Sunday, May 10, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমুক্তিযুদ্ধের সময় কুড়িগ্রামের ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট

মুক্তিযুদ্ধের সময় কুড়িগ্রামের ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনী ও স্থানীয় জনগণ যৌথভাবে ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট করে মুজিবনগর সরকারকে অর্থায়ন করেছিল। এই ধরনের দুটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছিল কুড়িগ্রামে, যেখানে মুক্তিবাহিনী জাতীয় ব্যাংক ও কুড়িগ্রাম ট্রেজারি লুট করে প্রায় তিন কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনার গহনা লুট করেছিল।

এই ঘটনাগুলি বিভিন্ন বইতে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে তাজুল মোহাম্মদের ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের খোঁজে কুড়িগ্রাম’ ও আখতারুজ্জামান মন্ডলের ‘১৯৭১: উত্তর রণাঙ্গনে বিজয়’ অন্যতম। এছাড়াও হামিদুল হকের ‘বৈভবে একাত্তর’ ও আকবর আলী খানের ‘পুরোনো সেই দিনের কথা’ বইতেও এই ঘটনাগুলি উল্লেখ করা হয়েছে।

পাকিস্তান সরকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে মুক্তিবাহিনীর নেতারা ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট করার সিদ্ধান্ত নেয়। এপ্রিল ১৬ ও ১৮ তারিখে মুক্তিবাহিনী কুড়িগ্রামের জাতীয় ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট করে।

এই লুটের ফলে মুক্তিবাহিনী প্রায় তিন কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনার গহনা লাভ করে। এই অর্থ মুজিবনগর সরকারকে যুদ্ধের জন্য অর্থায়ন করতে ব্যবহার করা হয়েছিল।

এই ঘটনাগুলি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই ঘটনাগুলি মুক্তিবাহিনীর সাহস ও নেতৃত্বের প্রমাণ বহন করে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও স্থানীয় জনগণ যৌথভাবে ব্যাংক ও ট্রেজারি লুট করে মুজিবনগর সরকারকে অর্থায়ন করেছিল। এই ঘটনাগুলি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments