23.2 C
Dhaka
Wednesday, February 25, 2026
Google search engine
Homeস্বাস্থ্যস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মশা কীটনাশকের কার্যকারিতা যাচাই করতে সিটি কর্পোরেশন গুদাম পরিদর্শন করবে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মশা কীটনাশকের কার্যকারিতা যাচাই করতে সিটি কর্পোরেশন গুদাম পরিদর্শন করবে

মশা সংখ্যার হঠাৎ বৃদ্ধি লক্ষ্য করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আগামীকাল দুইটি সিটি কর্পোরেশনের গুদাম পরিদর্শন করবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও রাজ্য মন্ত্রী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন (NIPSOM) এর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন।

আজ মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে মশা নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গৃহস্থালী ও জনসাধারণের স্বাস্থ্যের ওপর মশা সংক্রমণজনিত ঝুঁকি কমানোর জন্য সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

গত এক মাসে ঢাকার সুলভে কিউলেক্স মশার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উভয় সিটি কর্পোরেশন যথাযথভাবে প্রজননস্থল নির্মূল করতে ব্যর্থ হওয়ায় মশার সংখ্যা বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ে কীটনাশকের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

মশা দ্বারা সৃষ্ট ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগের প্রবণতা বাড়লে হাসপাতালের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। তাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মশা নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ দল গুদামে সংরক্ষিত কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী সারদার মোঃ সাখাওয়াত হুসেইন সয়দাবাদে অবস্থিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের গুদাম পরিদর্শন করবেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য রাজ্য মন্ত্রী এম.এ. মুহিত মিরপুর‑২-এ অবস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের গুদাম পরিদর্শন করবেন।

মশা বৃদ্ধির পর সিটি কর্পোরেশন ইতিমধ্যে কীটনাশকের ল্যাবরেটরি পরীক্ষা চালিয়েছে, তবে ফলাফল এখনও পাওয়া যায়নি।

একটি ওয়ার্ড-লেভেল টিম গঠন করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা মশা নিয়ন্ত্রণের অগ্রগতি তদারকি করবেন। এই টিমের কাজের মধ্যে মাঠে ফগিং, লারভিসাইড প্রয়োগ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত।

বৈঠকে মশা নিয়ন্ত্রণের অতিরিক্ত পদক্ষেপ হিসেবে নিয়মিত ফগিং, লারভিসাইড ব্যবহার এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক পরিষ্কার অভিযানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনসাধারণের সচেতনতা বাড়াতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্থির পানির উৎস দূর করা জরুরি বলে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ মশার প্রজননস্থল কমাতে সহায়তা করবে।

বিশেষজ্ঞ দল গুদামে সংরক্ষিত কীটনাশকের কার্যকারিতা যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে। প্রয়োজনে রাসায়নিক ফর্মুলা বা প্রয়োগ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।

মন্ত্রণালয় ফলাফল সংগ্রহের পর সিটি কর্পোরেশনকে সুপারিশ পাঠাবে এবং পরবর্তী সপ্তাহে বিস্তারিত পরিকল্পনা শেয়ার করবে।

বসবাসকারী নাগরিকদেরও বাড়ির আশেপাশে জলে জমে থাকা পাত্র, টায়ার, পাত্র ইত্যাদি সরিয়ে মশা প্রজনন রোধে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। কোনো স্থায়ী প্রজননস্থল লক্ষ্য করলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
স্বাস্থ্য প্রতিবেদক
AI-powered স্বাস্থ্য content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments