23.2 C
Dhaka
Wednesday, February 25, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাচীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী লক্ষ্য

চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতায় ১০,০০০ শিক্ষার্থী লক্ষ্য

ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক, উপমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ প্রতিনিধিদল একত্রিত হয়ে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও ভাষা ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা আলোচনা করেন।

বৈঠকে কারিগরি শিক্ষা, চীনা ভাষা প্রশিক্ষণ এবং যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপগুলো নির্ধারিত হয়। উভয় পক্ষই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভাষা দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণকে মূলধারায় আনতে সম্মত হয়।

চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারকে ত্বরান্বিত করতে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স চালু হয়েছে এবং আগামী সময়ে প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থীকে এই প্রোগ্রামের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে কাজ করা প্রায় এক হাজার চীনা কোম্পানিতে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেন, ভাষা দক্ষতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অন্তত সতেরোটি দেশে চাকরির সুযোগ পেতে পারে। ফলে দেশের যুব শক্তি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অর্জন করবে।

প্রতিটি স্কুলে দুটি করে নতুন শ্রেণিকক্ষ স্থাপন করে মোট ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়টি ব্রডকাস্টিং সেন্টার এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি সরঞ্জামসহ সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একটি পাইলট প্রকল্প সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

চীনা পক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া এবং লাওসের মতো দেশগুলোতে চীনা ভাষা ও কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণে ইতিমধ্যে সফল ফলাফল অর্জিত হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে প্রয়োগের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নারী শিক্ষার্থীদের আধুনিক হল নির্মাণে চীনা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রকাশিত হয়েছে। এই সুবিধা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে চীনে স্টাডি ট্যুরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সফরের মাধ্যমে তারা চীনের শীর্ষস্থানীয় কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। একই সঙ্গে চীনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশে এসে স্থানীয় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকায়নে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের বিষয়েও আলোচনা হয়। চীনা পক্ষ প্রস্তাবিত শর্ত পূরণ হলে যৌথভাবে স্কলারশিপ প্রকল্প চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এইসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল বাংলাদেশি যুবকদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা প্রদান এবং দেশীয় শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা।

বৈঠকের সমাপ্তিতে উভয় পক্ষই পরবর্তী সপ্তাহে নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার জন্য একটি ফলো‑আপ মিটিংয়ের ব্যবস্থা করবে।

আপনার যদি চীনা ভাষা শিখতে আগ্রহ থাকে, নিকটস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগ করে ভর্তি ও কোর্সের তথ্য সংগ্রহ করুন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments