23.2 C
Dhaka
Wednesday, February 25, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধপ্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টার মধ্যে খিলগাঁওয়ের নির্মাণস্থল থেকে অপহৃত ছাত্র উদ্ধার

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টার মধ্যে খিলগাঁওয়ের নির্মাণস্থল থেকে অপহৃত ছাত্র উদ্ধার

ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে সকাল ৩টার কাছাকাছি এক নবম শ্রেণির ছাত্রকে অপহরণকারী গোষ্ঠীকে ধরা পড়ে, যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। অপহৃত শিশুটি মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার হয় এবং নিরাপদে তার পরিবারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত শিশুটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দুপুরের শেষের দিকে, স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় চার থেকে পাঁচজন অপরিচিত ব্যক্তি তাকে জোড়পুকুর এলাকার সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায় এবং শারীরিক হিংসা করে। এরপর অপহরণকারীরা শিশুর বাবার ফোন নম্বর ব্যবহার করে ৫০,০০০ টাকার চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না দিলে শিশুকে হত্যা করার হুমকি দেয়।

শিশুর বাবা, যিনি সচিবালয়ের কর্মচারী, অপহরণের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গেই কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দপ্তরে প্রবেশ করেন। সরাসরি মুখোমুখি হওয়ার পর, তিনি ঘটনাটির জরুরি গুরুত্ব তুলে ধরে তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন।

প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যে শিশুকে দ্রুত উদ্ধার করা উচিত এবং র‌্যাকশনের জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এই নির্দেশনা পাওয়ার পর, পুলিশ তৎক্ষণাৎ অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি ট্রেস করে।

বাংলাদেশ পুলিশ রামনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম এই উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, ফোন নম্বরটি পাওয়ার পর প্রথমে অপহরণকারীরা নম্বর সরবরাহে দেরি করে এবং কিছু সময় দর কষাকষি চালায়। তবে ট্রেসিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশ দ্রুত তাদের অবস্থান শনাক্ত করে এবং নির্মাণাধীন ভবনে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

অভিযান চলাকালীন অপহরণকারীরা পুলিশের উপস্থিতি দেখে তৎক্ষণাৎ পালিয়ে যায়। রামনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম উল্লেখ করেন, “অভিযানটি সফল হয়েছে কারণ আমরা দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করে সঠিক সময়ে 현장 পৌঁছাতে পেরেছি।” তিনি আরও বলেন, র‌্যাকশনের জন্য নির্ধারিত টাকা পাঠানোর নম্বরটি শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, ফলে র‌্যাকশনের কোনো অর্থপ্রদান হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয় যে, প্রধানমন্ত্রী শিশু অপহরণের খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ফোনের মাধ্যমে পুলিশকে তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপের নির্দেশ দেন এবং ঘটনাটির দ্রুত সমাধানের জন্য সকল প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করেন। এই পদক্ষেপের ফলে শিশুটি নিরাপদে উদ্ধার হওয়ায় পরিবার ও সমাজে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যথাযথ তদন্ত চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করে অপরাধীর পরিচয় ও অবস্থান নির্ণয়ের কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, সকল সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।

এই ঘটনা শিশু সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আবারও তুলে ধরেছে। সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধে তদবির বাড়াবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments