30.1 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাআইসিসি টি২০ বিশ্বকাপের সুপার ইটের পূর্ব‑সিডিং ও ফরম্যাট পরিবর্তন

আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপের সুপার ইটের পূর্ব‑সিডিং ও ফরম্যাট পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ এবং বর্তমান টি২০ বিশ্বকাপের সুপার ইট পর্যায়ে দলগুলোকে পূর্ব‑সিডিংয়ের মাধ্যমে গোষ্ঠীভুক্ত করেছে। প্রথম রাউন্ডে ২০টি দল চারটি গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে প্রতিটি গোষ্ঠীর শীর্ষ দুই দল সুপার ইটে অগ্রসর হয়।

সুপার ইটে আটটি দল আবার দুইটি গোষ্ঠীতে চারটি করে ভাগ হয়। এই গোষ্ঠীবিন্যাসের জন্য আইসিসি কোনো পাবলিক ড্র বা টেলিভিশন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেনি; বরং একটি মিডিয়া রিলিজে পাঁচটি দলবিশিষ্ট চারটি গোষ্ঠীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। ঐ তালিকায় ভারত ও পাকিস্তান আবারও একই গোষ্ঠীতে দেখা যায়, যা পূর্ব‑সিডিংয়ের ফলাফলকে স্পষ্ট করে।

অন্যান্য বড় ক্রীড়া সংস্থা, যেমন ফিফা ও ইউইএফএ, দলগুলোকে পূর্ব‑নির্ধারিত পটে ভাগ করে র‍্যান্ডম ড্রের মাধ্যমে গোষ্ঠী নির্ধারণ করে থাকে। আইসিসি ১৯৭৫ সালে প্রথম ওডিআই বিশ্বকাপের পর থেকে বন্ধ দরজার পদ্ধতিতে গোষ্ঠী নির্ধারণ চালিয়ে আসছে।

আইসিসি সময়ে সময়ে টুর্নামেন্টের কাঠামো পরিবর্তন করেছে। প্রাথমিক ওডিআই বিশ্বকাপে দলগুলো একাধিক গোষ্ঠীতে ভাগ হতো, আর ১৯৯২ সালে রাউন্ড‑রবিন লিগ সিস্টেম প্রবর্তিত হয়। তবে পরের সংস্করণে এই সিস্টেম বাদ দেওয়া হয়।

২০১৯ এবং ২০২৩ টি২০ বিশ্বকাপে আবার রাউন্ড‑রবিন পদ্ধতি ফিরে আসে, যেখানে প্রতিটি দল একাধিক ম্যাচের মাধ্যমে পয়েন্ট সংগ্রহ করে। তবে ২০২৭ সালের টি২০ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা অনুযায়ী আবার বহু গোষ্ঠী ভিত্তিক ফরম্যাটে ফিরে যাওয়া হবে।

বিশ্লেষক, প্রাক্তন খেলোয়াড় ও ভক্তরা টুর্নামেন্টের পূর্বাভাসে ব্যস্ত থাকলেও, আয়োজকদের এমন অনুমান করা উচিত নয়; তা ন্যায্যতার প্রশ্ন তুলতে পারে। আইসিসি নিজেই পূর্ব‑সিডিং করে এই উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রথম রাউন্ডের গোষ্ঠী নির্ধারণে কোনো টেলিভিশন ড্র বা পাবলিক ভোটের সুযোগ না থাকায়, দলগুলোর মধ্যে সমতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মতো ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বী একই গোষ্ঠীতে থাকলে টুর্নামেন্টের উত্তেজনা বাড়ে, তবে তা আয়োজকদের পক্ষ থেকে পক্ষপাতের সন্দেহও জাগায়।

আইসিসি এই গোষ্ঠী নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো বিশদ ব্যাখ্যা দেয়নি; শুধুমাত্র মিডিয়া রিলিজে গোষ্ঠীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে ভক্ত ও বিশ্লেষকদের মধ্যে গোষ্ঠী গঠনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ফিফা ও ইউইএফএর মতো সংস্থাগুলো দলগুলোকে র‍্যান্ডম ড্রের মাধ্যমে গোষ্ঠীতে বসায়, যেখানে দলগুলোকে তাদের পূর্বের পারফরম্যান্স ও র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী পটে ভাগ করা হয়। এই পদ্ধতি গোষ্ঠী গঠনের ন্যায্যতা নিশ্চিত করে বলে ধরা হয়।

আইসিসি এখনও এই ধরনের ড্র ইভেন্ট পরিচালনা না করায়, তার গোষ্ঠী নির্ধারণের পদ্ধতি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সম্প্রদায়ের নজরে প্রশ্নবিদ্ধ। বিশেষ করে টি২০ বিশ্বকাপের মতো উচ্চপ্রোফাইল টুর্নামেন্টে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতে আইসিসি যদি গোষ্ঠী নির্ধারণে পাবলিক ড্রের ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে ভক্তদের আস্থা বাড়বে এবং টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে। বর্তমানে, পূর্ব‑সিডিংয়ের ফলে গোষ্ঠী গঠন নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

পরবর্তী ম্যাচের সূচি ও গোষ্ঠী ভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে আইসিসি ইতিমধ্যে তথ্য প্রকাশ করেছে; ভক্তরা এখনো জানেন কোন দল কোন দলের মুখোমুখি হবে এবং কখন খেলবে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ভক্তরা তাদের পছন্দের দলকে সমর্থন করতে প্রস্তুত।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments