23.4 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
HomeবিনোদনBAFTA মাইকেল বি. জর্ডান ও ডিলরয় লিন্ডোকে ন-শব্দের জন্য ক্ষমা চায়, ‘ড্রিমিং...

BAFTA মাইকেল বি. জর্ডান ও ডিলরয় লিন্ডোকে ন-শব্দের জন্য ক্ষমা চায়, ‘ড্রিমিং হোয়াইল ব্ল্যাক’ রেসিয়াল চ্যালেঞ্জে আলোকপাত করে

ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (BAFTA) সম্প্রতি মাইকেল বি. জর্ডান এবং ডিলরয় লিন্ডোকে ক্ষমা চেয়ে জানায় যে, পুরুষ গোষ্ঠীর পুরুষ সদস্য জন ডেভিডসন, যিনি টুরেটের রোগে আক্রান্ত, রবিবার রাতের পুরস্কার অনুষ্ঠানে অনিচ্ছাকৃতভাবে ‘n‑word’ এবং অন্যান্য অপ্রত্যাশিত শব্দ উচ্চারণ করেন। অনুষ্ঠানটি লাইভ সম্প্রচারিত হওয়ায় তৎক্ষণাৎ দর্শকদের মধ্যে বিস্ময় ও উদ্বেগের স্রোত তৈরি হয়।

জন ডেভিডসন, যিনি টুরেটের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সংগ্রামকে ভিত্তি করে তৈরি ‘আই সোয়ার’ চলচ্চিত্রের এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কির্ক জোন্সের এই প্রযোজনা সমর্থনে মঞ্চে উঠেছিলেন। তার রোগের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উচ্চারণ করা শব্দগুলোকে তিনি অনিচ্ছাকৃত বলে উল্লেখ করেন, তবে তা ঘটনার তীব্রতা কমাতে পারেনি।

ঘটনার পরপরই সামাজিক মাধ্যমে টুরেটের সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, যা অনেকের দৃষ্টিকে BAFTA-র ত্রুটিপূর্ণ সম্পাদনা এবং দেরিতে ক্ষমা প্রকাশের দিকে সরিয়ে দেয়। মূল টেলিভিশন রেকর্ডিং থেকে এই অশোভন শব্দগুলো মুছে না ফেলা এবং দেরিতে ক্ষমা প্রকাশ করা উভয়ই সমালোচনার মুখে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন যে, এই ধীরগতি প্রতিক্রিয়া বিশেষত তখনই বেশি তীব্র, যখন যুক্তরাজ্যের চলচ্চিত্র শিল্পে বর্ণগত সংবেদনশীলতার অভাব নিয়ে চলমান আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে ‘ড্রিমিং হোয়াইল ব্ল্যাক’ সিরিজের বিষয়বস্তু আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।

‘ড্রিমিং হোয়াইল ব্ল্যাক’ এখন শোটাইমের মাধ্যমে প্যারামাউন্ট+-এ দ্বিতীয় সিজন হিসেবে স্ট্রিমিং চলছে। সিরিজটি একটি কাল্পনিক কিন্তু বাস্তবসম্মত গল্পের মাধ্যমে একটি ব্ল্যাক ব্রিটিশ জামাইকার ফিল্মমেকারকে কেন্দ্র করে, যিনি শিল্পের কাঠামোকে ভাঙতে সংগ্রাম করছেন।

সিরিজের সহ-স্রষ্টা অ্যাডজানি স্যালমন নিজেই প্রধান চরিত্র ক্বাবেনা হিসেবে অভিনয় করেন, যেখানে তিনি শিল্পের ঐতিহ্যগত সাদা আধিপত্যের মুখোমুখি হয়ে নিজের স্বকীয় কণ্ঠস্বর গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তার চরিত্রের যাত্রা দর্শকদের জন্য শিল্পের অন্তর্নিহিত বাধাগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

২০২৩ সালে প্রথম সিজনের পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছিল যে, নবীন শিল্পী যেকোনো ক্ষেত্রে কঠিন পথে হাঁটে, তবে শিরোনামটি ইঙ্গিত দেয় যে, ব্ল্যাক শিল্পীদের জন্য এই পথটি আরও কষ্টকর। সিরিজটি বর্ণগত বৈষম্যের বাস্তবতা এবং সৃজনশীলতা বজায় রাখার সংগ্রামকে কেন্দ্রীয় থিম হিসেবে উপস্থাপন করে।

স্যালমন জানান যে, প্রকল্পটি ২০১৬ সালে একটি ওয়েব সিরিজ হিসেবে শুরু হয়। তিনি তখন শিল্পে প্রবেশের জন্য উপযুক্ত পথ না পাওয়ায় হতাশা থেকে এই ধারণা গড়ে তোলেন। একই সময়ে ‘ইনসিকিউর’ মত ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয়তা শীর্ষে ছিল, যা নতুন তরুণ স্রষ্টাদের জন্য একটি নতুন তরঙ্গের সূচনা করে।

তিনি আইসা রে’র এইচবিও-তে পৌঁছানোর পথকে মডেল হিসেবে গ্রহণ করে, নিজের সিরিজকে একই রকম প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরতে চেয়েছেন। এই অনুপ্রেরণা তাকে ব্ল্যাক কণ্ঠস্বরকে বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ করে।

আজ ‘ড্রিমিং হোয়াইল ব্ল্যাক’ প্যারামাউন্ট+-এ উপলব্ধ, যেখানে দর্শকরা শিল্পের বর্ণগত গঠন এবং সৃজনশীল সংগ্রামের বাস্তব চিত্র দেখতে পারেন। সিরিজটি শুধু বিনোদন নয়, বরং শিল্পের অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলোর উপর আলোকপাত করে।

যদি আপনি শিল্পের বৈচিত্র্য এবং বর্ণগত সমতা নিয়ে গভীরভাবে জানতে চান, তবে প্যারামাউন্ট+-এ এই সিরিজটি দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, টুরেটের রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিল্পে ন্যায়সঙ্গত সুযোগের জন্য চলমান আলোচনায় অংশগ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – TV
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments