20 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
HomeবিনোদনRFK Jr.-এর প্রাক্তন সহপ্রার্থী নিকোল শানাহান পরিচালনায় কোভিড‑সেট স্যাটায়ারিক চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা

RFK Jr.-এর প্রাক্তন সহপ্রার্থী নিকোল শানাহান পরিচালনায় কোভিড‑সেট স্যাটায়ারিক চলচ্চিত্রের পরিকল্পনা

নতুন বছরের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও প্রযুক্তি জগতের সংযোগে এক অপ্রত্যাশিত প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়। রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়রের ২০২৪ নির্বাচনী প্রচারের সময়কালীন সহপ্রার্থী নিকোল শানাহান, একটি স্বতন্ত্র স্যাটায়ারিক চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে নাম লেখালেন।

শানাহান, যিনি আইনি পটভূমি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ক্ষেত্রে সক্রিয়, এখন চলচ্চিত্র শিল্পের দিকে নজর দেন। তার নতুন দায়িত্বে তিনি টেক্সাস ভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ব্রাউনস্টোন ইনস্টিটিউটের সমর্থন নিয়ে কাজ করছেন, যা স্বতন্ত্রভাবে অর্থ সংগ্রহের জন্য ক্রাউডফান্ডিং মডেল গ্রহণ করেছে।

প্রকল্পের নাম “দ্য র‍্যাশ” এবং এটি কোভিড‑১৯ মহামারীর সময়ের সামাজিক উন্মাদনা ও ভয়কে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করবে। চলচ্চিত্রটি স্বাধীনভাবে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে তৈরি হবে এবং স্যাটায়ারিক কমেডি ধারায় থাকবে, যেখানে বর্তমান স্বাস্থ্য নীতি ও জনমতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে।

চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রটি একটি পাবলিক‑হেলথ প্রফেসর, যার ভিত্তি নেওয়া হয়েছে জে ভাট্টাচার্যার উপর। ভাট্টাচার্যা, যিনি রবার্ট কেনেডি জুনিয়রের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথের পরিচালক, কোভিড‑১৯ লকডাউন ও টিকাদান নীতির কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তার মতামতকে কেন্দ্র করে গল্পের কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে।

ব্রাউনস্টোন ইনস্টিটিউট, যা লিবার্টেরিয়ান চিন্তাবিদ জেফ্রি টাকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, কোভিড‑১৯ মহামারীর সময় সরকারের নীতি নিয়ে উদ্বেগের প্রতিক্রিয়ায় গঠিত হয়। সংস্থাটি এই চলচ্চিত্রকে তার মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে বিবেচনা করে এবং আর্থিক স্পনসরশিপের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

ব্রাউনস্টোনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গল্পটি এমন এক স্বাস্থ্য সংকটের পটভূমিতে স্থাপিত, যা জনসাধারণের মধ্যে ভয় ও ঘৃণার স্রোত তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ভূত আর্থিক সুযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরা হবে।

চলচ্চিত্রের কাহিনীতে একটি কাল্পনিক র‍্যাশের কথা বলা হয়েছে, যা বাস্তব, কল্পিত বা কৃত্রিম হতে পারে। এই র‍্যাশকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, যার মধ্যে একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি রয়েছে, যার পণ্য “জেনভিডিয়া” র‍্যাশের স্মৃতি মুছে দেয়, তবে তা গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

হাস্যরসের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে স্ট্যানফোর্ডের পাবলিক‑হেলথ প্রফেসর, যিনি এই উন্মাদনা ও পণ্যের বিপরীতে দৃঢ়ভাবে সাড়া দেন। তার বিরোধিতা এবং সমাজের অযৌক্তিক ভয়কে ব্যঙ্গের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে, যা দর্শকদের মধ্যে সমালোচনামূলক চিন্তা উদ্রেক করবে।

স্ক্রিপ্টের রচনায় যুক্ত রয়েছেন ওয়াল্টার কির্ন, যিনি “আপ ইন দ্য এয়ার” উপন্যাসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন এবং গ্লোবে চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। কির্নের অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি এই প্রকল্পকে বাণিজ্যিক ও বৌদ্ধিকভাবে সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই উদ্যোগটি ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে, যেখানে সিলিকন ভ্যালি ও আমেরিকান রাজনীতির উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা সরাসরি অংশগ্রহণ করছেন। ঐতিহ্যগতভাবে ছাত্র ও ইউটিউবারদের দখলে থাকা এই ক্ষেত্র এখন বৃহৎ আর্থিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে প্রবেশ করেছে।

প্রকল্পের অগ্রগতি ও মুক্তির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে শানাহান ও ব্রাউনস্টোন ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ে এই স্যাটায়ারিক চলচ্চিত্রটি জনস্বাস্থ্যের নীতি, মিডিয়া ও কর্পোরেট স্বার্থের সংযোগস্থলে নতুন আলোচনার সূচনা করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments