টি‑টুয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫৪ রান করে জিম্বাবুয়ের ১০৭ রানকে অতিক্রম করে বিশাল পার্থক্যে জয়লাভ করে। উভয় দলে মোট ছয়টি উইকেট নষ্ট হলেও, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রেকর্ডে স্থান পায়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ে রোহিত হেটমায়ার ১৯ বলের দ্রুততম অর্ধশতক তৈরি করে, যা টি‑টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দ্রুততম অর্ধশতক হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। তার পরবর্তী ইনিংসে তিনি ৮৫ বলে ৩৪ রান করে দলকে স্থিতিশীলতা প্রদান করেন। রোভম্যান পাওয়েল ৫৯ রান যোগ করেন, এবং হেটমায়ার ও পাওয়েলের ৫২ রান সমন্বিত অংশীদারিত্ব ১২২ রান গড়ে তোলার মাধ্যমে টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ অংশীদারিত্বে রূপ নেয়।
স্পিনারদের পারফরম্যান্সও জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আকিল হোসেন তিনটি উইকেট এবং গুড়াকেশ মোতি চারটি উইকেট নিয়ে মোট সাতটি উইকেট নেয়, যা জিম্বাবুয়ের স্কোরকে দ্রুত কমিয়ে দেয়। তাদের বোলিং গতি ও পরিবর্তনশীল গতি জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, ফলে দলটি ১০৭ রানেই আটকে যায়।
জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে দশম উইকেটে সর্বোচ্চ অংশীদারিত্ব দেখা যায়। রিচার্ড এনগারাভা এবং ব্র্যাড ইভান্স ১৯ বলের জন্য ৪৪ রান যোগ করে দলকে কিছুটা রেসকিউ করার চেষ্টা করেন। ইভান্সের মোট ৪৪ রানের মধ্যে ৩৫টি নিজস্ব ব্যাট থেকে আসে, এবং শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি ৪৩ রান করে দলের মোট স্কোরে অবদান রাখেন। তবে এই অংশীদারিত্বের পরেও জিম্বাবুয়ে ১০২ রানেই আটকে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ১০৭ রানেই আউট হয়।
ম্যাচের শেষ পর্যায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা দ্রুত রান বাড়িয়ে স্কোরকে ২৫৪ পর্যন্ত নিয়ে যায়। ছয়টি উইকেট নষ্ট হলেও, দলটি ২৫৪/৬ স্কোরে থেমে থাকে, যা টি‑টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। এই রেকর্ড নেদারল্যান্ডসের সর্বোচ্চ স্কোরের ঠিক নিচে রয়েছে। হেটমায়ার ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন, তার দ্রুত অর্ধশতক এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্বের জন্য প্রশংসা পায়।
জিম্বাবুয়ের জন্য এই পরাজয় বড় ব্যবধানে হারের সূচনা নির্দেশ করে, কারণ তারা ১০২ রানেই আটকে গিয়ে ১৪৭ রান পার্থক্যে হারে। দলটি পরবর্তী ম্যাচে পুনরুদ্ধার করার জন্য কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে হবে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেট ও রানের গতি বৃদ্ধি পায়, যা তাদের টুর্নামেন্টে অগ্রসর হতে সহায়তা করবে।
পরবর্তী ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিডিউলে আরেকটি গ্রুপ প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে তারা এই জয়ের গতি বজায় রেখে টুর্নামেন্টের অগ্রভাগে পৌঁছানোর লক্ষ্য রাখবে। জিম্বাবুয়ে meanwhile, তাদের পরবর্তী গেমে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে, তবে বর্তমান পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দলকে ব্যাটিং ও বোলিং উভয় দিকেই উন্নতি দরকার।



