20.8 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচীনের দূত ইয়াও ওয়েনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফর পরিকল্পনা

চীনের দূত ইয়াও ওয়েনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফর পরিকল্পনা

চীন সরকারের দূত ইয়াও ওয়েন আজ দুপুর ১২:৩০ টায় ক্যাবিনেট বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলে, তাকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে শি জিনপিং ও লি চিয়াংয়ের পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন পৌঁছে দেন। এই আমন্ত্রণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিদেশি বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবিরের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ূন কবির ক্যাবিনেট বিভাগে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সেক্রেটারিয়েটে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করেন, দূত ইয়াও ওয়েনের কলটি আজকের অফিসিয়াল সাক্ষাতের অংশ ছিল। তিনি জানান, সফরের নির্দিষ্ট তারিখ বা সূচি এই আলোচনায় উঠে না।

উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশীয় কাজের তালিকা বেশ ব্যস্ত। তিনি দেশীয় অগ্রাধিকারগুলো সম্পন্ন করার পরই বিদেশি সফরের পরিকল্পনা করবেন, এ সময় চীনের আমন্ত্রণকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।

হুমায়ূন কবির আরও যোগ করেন, চীন সরকার নতুন সরকারকে তার বিশাল ভোটের ম্যান্ডেটের স্বীকৃতি দিয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন। এই স্বীকৃতি চীনের দীর্ঘমেয়াদী কূটনৈতিক বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে।

দূত ইয়াও ওয়েনের সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানানো, যা জনগণের স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, চীন সরকার এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশংসা করে এবং ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়াতে ইচ্ছুক।

বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের শিকড় শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বরং শি হিদায়েতের শি জিনপিংয়ের শাসনকালে নয়, বর করে।

শি জিনপিংয়ের শাসনকালে, চীন সরকার বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। অতীতের বহু অবকাঠামো, জ্বালানি ও প্রযুক্তি প্রকল্পে চীনের সহায়তা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করেছে।

বর্তমান সরকার এই ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করতে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অর্জিত উন্নয়নমূলক সাফল্যকে ভিত্তি করে নতুন উদ্যোগ চালু করতে চায়। হুমায়ূন কবির উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে চীন ও বাংলাদেশ উভয়ের স্বার্থ রক্ষার জন্য যৌথভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাড়ানো হবে।

আজকের বৈঠকটি মূলত শিষ্টাচারপূর্ণ সাক্ষাৎ ছিল, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের আলোচনা হয়নি। তবে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এবং জনগণের মঙ্গলের জন্য উন্নয়নমূলক কাজকে আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই শিষ্টাচারপূর্ণ প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments