22.7 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাবাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত ও মূল্যস্ফীতি রোধের পদক্ষেপের ঘোষণা

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত ও মূল্যস্ফীতি রোধের পদক্ষেপের ঘোষণা

২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মোহাম্মদপুর টাউন হলের কাঁচাবাজারে হঠাৎ পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানালেন। তিনি সরবরাহের পর্যাপ্ততা ও শিগগিরই বাজার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রস্তুতি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রীর মতে, ঢাকার প্রধান বাজারগুলোতে মৌলিক পণ্যের স্টক যথেষ্ট এবং কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি। তবে তিনি স্বীকার করেন, রমজান মাসের আগমনের সঙ্গে কিছু ব্যবসায়ী মূল্য বাড়িয়ে মুনাফা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের কারসাজি শনাক্ত হলে আইনগত ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।

সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল বাজারকে স্থিতিশীল ও ভোক্তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক রাখা, তবে পরিকল্পিত সংস্কারগুলো সম্পূর্ণ কার্যকর করতে কিছু সময়ের প্রয়োজন হবে। মন্ত্রী মিডিয়ার পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন, যাতে সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণ পর্যন্ত পৌঁছায় এবং অপ্রয়োজনীয় গুজবের বিস্তার রোধ হয়।

পরিদর্শনের সময় তিনি সরাসরি দোকানদারদের সঙ্গে পণ্যের দাম যাচাই করেন এবং নিশ্চিত করেন যে বিক্রয়যোগ্য পণ্যের পরিমাণ চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, একসঙ্গে পুরো ঢাকা শহরের সব বাজারে সরকারি টিম পাঠানো বাস্তবিকভাবে সম্ভব নয়, কারণ নগরীর আয়তন ও বাজারের সংখ্যা বিশাল।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দশটি পর্যবেক্ষণ দল গঠন করেছে, যা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন বাজারে তদারকি চালায়। দলগুলোয়ের কাজ হল ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্রমাগত নজরদারির অনুভূতি তৈরি করা, যাতে তারা স্বেচ্ছায়ই ন্যায্য মূল্য বজায় রাখে।

মন্ত্রীর উল্লেখে, রমজান পূর্বে ৪০‑৫০ টাকা দামে বিক্রি হওয়া একটি পণ্য হঠাৎ ১২০ টাকায় পৌঁছেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য ক্ষতিকর। তিনি জোর দিয়ে বললেন, এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকার সতর্ক দৃষ্টিতে কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অগ্রসর।

সম্প্রতি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয়ের প্রধান ও তার কর্মকর্তাদের উপর ব্যবসায়ীদের হুমকি ও চড়াও সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি ইতিমধ্যে আদালতে চলমান এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে কার্যকর হবে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করছেন, যদি তদারকি দলগুলো নিয়মিতভাবে কাজ চালিয়ে যায় এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়, তবে স্বল্পমেয়াদে মূল্যস্ফীতি কমে ভোক্তা আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এটি বিশেষত রমজান ও ঈদ মৌসুমে মুদ্রাস্ফীতির চাপ হ্রাসে সহায়ক হবে।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরবরাহ শৃঙ্খলের ধারাবাহিকতা এবং হোর্ডিং বিরোধী আইন প্রয়োগের কঠোরতা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এককালীন তদারকি যথেষ্ট নয়; নিয়মিত নজরদারি ও শাস্তি প্রয়োগই মূল চাবিকাঠি।

মন্ত্রীর শেষ মন্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন তৎক্ষণাৎ দৃশ্যমান নাও হতে পারে, তবে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ চালিয়ে যাবে এবং জনগণকে ধৈর্য্য ধরতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সময়ের সাথে সাথে গৃহীত পদক্ষেপগুলো ফলপ্রসূ হবে এবং বাজারের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments