মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী সচিব পল কাপুর মার্চের শুরুর দিকে বাংলাদেশ সফর করবেন, এ তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ প্রকাশ করেছে। সফরের উদ্দেশ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের সহযোগিতা বাড়ানো। সফরের সময় তিনি স্থানীয় ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ এবং সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
মার্কিন দূতাবাসের প্রধান ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আজ ফরেন মিনিস্টার ড. খালিলুর রহমানের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ‑মার্কিন পারস্পরিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা পারস্পরিক সম্মান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি যৌথ প্রতিশ্রুতিকে সম্পর্কের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন। বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রয়োজনীয়তা পুনরায় জোর দেওয়া হয়।
বক্তারা পারস্পরিক সম্মান, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি যৌথ প্রতিশ্রুতিকে সম্পর্কের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন। এই নীতিগুলোকে ভিত্তি করে দুই দেশ বহু বছর ধরে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রেখেছে।
বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, অভিবাসন এবং মানুষ‑থেকে‑মানুষ বিনিময়সহ প্রধান সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করা হয়। প্রত্যেক ক্ষেত্রের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা চালানো হয়। এছাড়া উভয় পক্ষ নতুন প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা শেয়ার করে।
রোহিঙ্গা সংকটও আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল। মার্কিন প্রতিনিধিরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাহ্যিক মন্ত্রী ড. খালিলুর রহমান মার্কিন মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রের অবদানের প্রশংসা করেন। এই মানবিক সহায়তা র



