22.7 C
Dhaka
Tuesday, February 24, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিবাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আশাবাদ প্রকাশ

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার আশাবাদ প্রকাশ

সোমবার ঢাকা শহরে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়; উভয় পক্ষই সব ক্ষেত্রেই সহযোগিতা বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ‑যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।

বহির্বিভাগ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষের এই আশাবাদ আগামী বছরগুলোতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে গৃহীত হবে।

বৈঠকের ধারাবাহিকতা রবিবার সকালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে শুরু হয়; একই দিনে চীনের রাষ্ট্রদূত এবং ভারত ও পাকিস্তানের হাই কমিশনাররাও খলিলুর রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ গ্রহণ করেন।

সোমবার দুপুরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার নেতৃত্বে ইউরোপীয় জোটের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন, যেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

আলোচনায় উভয় পক্ষই পারস্পরিক সম্মান, সমান গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি‑উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে উল্লেখ করে, ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা‑নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, অভিবাসন এবং জনগণ‑থেকে‑জনগণের বিনিময়সহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়; উভয় পক্ষই এই ক্ষেত্রগুলোতে নতুন উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্চ মাসে মার্কিন সরকারকে প্রতিনিধিত্বকারী দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী সচিব পল কাপুরের ঢাকা সফরও এই ধারাবাহিক উচ্চ‑স্তরের সংলাপের অংশ ছিল।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবস্থা সম্পর্কেও আলোচনা হয়; বাংলাদেশ সরকার মার্কিন সরকারের মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য রাজনৈতিক সমর্থন চায়।

এছাড়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সাথেও পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, যা বর্তমান সংলাপের ভিত্তি গড়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকরা বলেন, এই ধারাবাহিক বৈঠকগুলো বাংলাদেশ সরকার এবং মার্কিন সরকারের কৌশলগত সহযোগিতা বিস্তারের ইচ্ছা প্রকাশ করে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

আসন্ন মাসগুলোতে বাণিজ্য চুক্তি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং যৌথ উন্নয়ন প্রকল্পে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উভয় পক্ষই প্রস্তুত রয়েছে; কথ্য আশাবাদের পরেও কার্যকরী পরিকল্পনা গড়ে তোলার সংকল্প স্পষ্ট।

চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একসঙ্গে অনুষ্ঠিত এই সিরিজের বৈঠকগুলো বাংলাদেশকে ইন্ডো‑প্যাসিফিক ভূ‑রাজনৈতিক পরিসরে তার অবস্থান শক্তিশালী করার সুযোগ দিচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার এবং মার্কিন সরকার উভয়ই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সক্রিয় পদক্ষেপের ইচ্ছা প্রকাশ করেছে; এই দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে বহু ক্ষেত্রেই বাস্তব ফলাফল বয়ে আনবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments