26.1 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা শের-ই-বাংলা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে আধুনিকীকরণে সরকারের অঙ্গীকার প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা শের-ই-বাংলা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে আধুনিকীকরণে সরকারের অঙ্গীকার প্রকাশ

শেনগুপ্ত, শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ.কে.এম. শামসুল ইসলাম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি সরকারের সশস্ত্র বাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরক্ষা সচিব মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন উপদেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে, মন্ত্রণালয়ের বর্তমান কার্যক্রম, অর্জিত সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত briefing প্রদান করেন। উপস্থিত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীও এই সংলাপে অংশ নেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম উপদেষ্টার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলা হয়, সরকার সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক সরঞ্জামায়ন নিশ্চিত করতে অটল। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণে প্রস্তুত।

উপদেষ্টা আরও জানিয়ে দেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মী আন্তরিকভাবে কাজ করবে। তিনি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সামরিক ও বেসামরিক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে, স্বাধীন, সার্বভৌম এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার দিকনির্দেশে অবিচল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

পরিদর্শনের পর উপদেষ্টা উপস্থিত সকলকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা, বাজেট বরাদ্দ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোতে গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

প্রতিবাদী দলগুলোর পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, সরকারী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও সময়সূচি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মী ও কর্মকর্তারা উপদেষ্টার উক্তি শোনার পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে, দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় আরও উদ্যমী হয়ে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তারা উল্লেখ করেন, আধুনিকায়ন প্রকল্পগুলোতে প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

উল্লেখযোগ্য যে, শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত মন্ত্রণালয়ের এই পরিদর্শন সরকারী পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, যা সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার এই সফর এবং তার বক্তব্য সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে অগ্রসর হতে উৎসাহিত করেছে। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয় কীভাবে এই অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেবে, তা দেশের নিরাপত্তা নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments