29.8 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeব্যবসাযুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের আগে পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষিত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের আগে পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষিত

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে, একটি আদালত পাল্টা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করে। এই রায় চুক্তির মূল সুবিধাগুলিকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।

চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে পণ্য প্রবাহ সহজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য শুল্কমুক্তি ও হ্রাসকৃত শুল্কের সুবিধা দিতে চেয়েছিল। মূল লক্ষ্য ছিল রপ্তানি পরিমাণ বাড়িয়ে বাণিজ্য ভারসাম্যকে সমান করা।

অবৈধ ঘোষণা আদালতের রায়ের ভিত্তি ছিল যে পাল্টা শুল্কের প্রয়োগে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির লঙ্ঘন হয়েছে বলে বিবেচনা করা। ফলে পূর্বে নির্ধারিত ২০ শতাংশের শুল্ক হার হ্রাস পেয়ে ১৯ শতাংশে নেমে আসে, তবে রায়ের পর তা কার্যকর করা বন্ধ করা হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান, সিপিডি-র সম্মাননীয় ফেলো, উল্লেখ করেন যে আদালতের এই সিদ্ধান্ত চুক্তির প্রত্যাশিত প্রভাবকে দুর্বল করে তুলেছে। তিনি বলেন, রপ্তানির সুবিধা সীমিত হলে বাণিজ্যিক সমতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

বাংলাদেশ সরকার আদালতের রায়ের পর দ্রুতই বিষয়টি উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সরকারী বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, তাই কোনো আইনি বাধা দূর করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান খোঁজার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যেসব পণ্যের জন্য শুল্কমুক্তি বা হ্রাসের কথা ছিল, সেগুলোর রপ্তানি মাত্র সীমিত পরিমাণে হচ্ছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে তৈরি পণ্যের চাহিদা প্রত্যাশার চেয়ে কম।

এই পরিস্থিতিতে চুক্তি কার্যকর হলে বাণিজ্য ভারসাম্যের সুবিধা অধিকাংশই মার্কিন সরকারকে ঝুঁকে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। অর্থাৎ, বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি না হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি পার্থক্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেশি হবে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ ফেব্রুয়ারি একটি সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা দুইটি প্রধান অর্জনের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, পাল্টা শুল্কের হার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে নেমে এসেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের রপ্তানিতে শুল্ক শূন্য করা হয়েছে।

মার্কিন সরকারও চুক্তির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছে এবং আদালতের রায়ের প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ উল্লেখ করেছে, যদি পাল্টা শুল্কের অবৈধতা চুক্তির শর্তকে ক্ষুন্ন করে, তবে উভয় পক্ষের জন্য সমন্বিত সমাধ

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
ব্যবসা প্রতিবেদক
ব্যবসা প্রতিবেদক
AI-powered ব্যবসা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments