29.8 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধযোধপুরের মানাই গ্রামে বিয়ের আগের রাতে দুই বোনের অচেনা মৃত্যুর ঘটনা

যোধপুরের মানাই গ্রামে বিয়ের আগের রাতে দুই বোনের অচেনা মৃত্যুর ঘটনা

রাজস্থানের যোধপুর জেলার মানাই গ্রামে একই দিনে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল দুই বোন শোভা (২৫) ও বিমলা (২৩)-এর। শনি-রবিবারের বিয়ের পরিকল্পনা ছিল, তবে শুক্রবার রাতেই দু’জনের অস্বাভাবিক অসুস্থতা ঘটার পর ঘটনাটি বদলে যায়।

বিবাহের আয়োজনের জন্য গ্রামজুড়ে অতিথি ও আত্মীয়দের সমাবেশ ছিল। শুক্রবার রাত পর্যন্ত ঘরে বিয়ের অনুষ্ঠান, সঙ্গীত ও খাবার চলছিল। সন্ধ্যা শেষে দু’জন কনে ঘুমাতে যান, যা সাধারণ রীতি।

রাত প্রায় ১২টার দিকে শোভা ও বিমলা শোয়া গাছের নিচে শুয়ে ছিলেন। ভোরের চারটার দিকে দু’জনের শারীরিক অবস্থা হঠাৎ খারাপ হতে থাকে, শ্বাসকষ্ট ও অজ্ঞান হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়।

পরিবারের তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্তে দু’জনকে যোধপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা দ্রুত পরীক্ষা চালিয়ে দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন।

যোধপুরের পশ্চিম অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রোশন মীনা জানান, বিয়ের অনুষ্ঠান রাত পর্যন্ত চলছিল এবং কনেরা রাতের শেষ ভাগে ঘুমিয়ে গিয়েছিলেন। ভোরে শারীরিক অবনতি লক্ষ্য করে পরিবারকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

মৃতদেহ বাড়িতে আনা হলে সৎকারের প্রস্তুতি শুরু হয়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয় এবং মৃতদেহকে মর্গে পাঠিয়ে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করে।

ময়নাতদন্তের ফলাফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। বর্তমানে মৃতদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, তবে ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা প্রকাশ করেছে যে কোনো বিষাক্ত পদার্থের গ্রহণের ফলে দু’জনের মৃত্যু ঘটতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ঘটনাস্থল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আত্মহত্যা নোট বা লিখিত স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়নি। গ্রামবাসীরা শোকের ছায়ায় আচ্ছন্ন, দু’জনের অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর খবর সবাইকে বিস্মিত করেছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এই ঘটনাটি অপরাধমূলক তদন্তের আওতায় রয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে ফাস্ট ফ্যাক্টস রিপোর্ট তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দফতরে জমা দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অধিক তদন্তের জন্য ফরেনসিক রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অপরাধের ধরণ নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে পুলিশ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রোশন মীনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত দল গঠন করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অধিক তথ্য প্রকাশের আগে পরিবারকে গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে এবং সম্প্রদায়কে শান্তি বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে। ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জানানো হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments