23.8 C
Dhaka
Monday, February 23, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের আত্মসমর্পণ না করার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের আত্মসমর্পণ না করার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, ইরান কেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপের মুখে আত্মসমর্পণ করেনি তা জানার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এই মন্তব্য মার্কিন সরকারের বিশেষ envoy স্টিভ উইটকফের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়, যা সপ্তাহান্তে প্রকাশিত হয়।

উইটকফের মতে, ট্রাম্পের উদ্বেগ কোনো রাগের প্রকাশ নয়, বরং তিনি জানতে চান কেন ইরান এত বড় সামুদ্রিক ও নৌবাহিনীর উপস্থিতি সত্ত্বেও আত্মসমর্পণ করেনি। তিনি যুক্তি দেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রশক্তি ও নৌবাহিনীর শক্তি ব্যবহার করে ইরানকে আলোচনায় আনতে পারলে তা সহজ হতো।

ইতিবাচক দিক থেকে, যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সপ্তাহে ইরানের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে তুলেছে। বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ USS Gerald R. Ford এবং USS Abraham Lincoln ক্যারিয়ার জাহাজসহ ধ্বংসাত্মক জাহাজ, যুদ্ধবিমান ও ডেস্ট্রয়ারগুলো এই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে অগ্রসর হওয়ার সন্দেহ প্রকাশ করেছে, যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। এই সন্দেহের পরিপ্রেক্ষিতে, সুইজারল্যান্ডে পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষই অগ্রগতির কথা জানিয়েছে।

ট্রাম্প দুই দিন পরে জানিয়েছিলেন, আগামী দশ দিনের মধ্যে বিশ্ব জানবে ইরানের সঙ্গে চুক্তি হবে কিনা অথবা যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নেবে। এই ঘোষণার পর, ইরানের কোনো সরকারি মুখ থেকে উইটকফের মন্তব্যের প্রতি কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইরানে দেশের অভ্যন্তরে পরিস্থিতি তীব্র হয়েছে; সপ্তাহান্তে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা জানুয়ারি মাসের রক্তাক্ত দমনকাণ্ডের পর প্রথম বড় আকারের সমাবেশ। ঐ দমনকাণ্ডে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল, ফলে এই প্রতিবাদগুলো আন্তর্জাতিক দৃষ্টিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

মার্কিন সরকার এবং তার মিত্র দেশগুলো ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে, আর ইরান তার পারমাণবিক কার্যক্রমকে শান্তিপূর্ণ বলে দাবি করে চলেছে। এই দ্বিমুখী অবস্থানই বর্তমান উত্তেজনার মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট না হলেও, তিনি উল্লেখ করেছেন যে দশ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা হয়তো নতুন কূটনৈতিক চেষ্টার সূচনা করবে অথবা সামরিক পদক্ষেপের দিকে নিয়ে যাবে। এই সময়সীমা উভয় পক্ষের জন্য চাপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামগ্রিকভাবে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক ও সামরিক চাপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিবেশ অস্থির অবস্থায় রয়েছে। পরবর্তী সপ্তাহে কীভাবে পরিস্থিতি বিকশিত হবে, তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে ঘনিষ্ঠ নজরদারির দাবি রাখে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments