দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ২০ ওভারে ১৮৭ রানে ৭ উইকেটের সঙ্গে স্কোর শেষ করে, ভারত ক্রিকেট দলকে ১৮৮ রানের লক্ষ্য রেখে ম্যাচটি শেষ করে। ভারতের শুরুরই শটের পরে হার্দিক পান্ডিয়া শূন্যে আউট হয়ে শূন্য রানে বিদায় নেন, যা ভারতের শুরুর চাপকে তীব্র করে।
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ ওভারে ট্রিস্টান স্টাবস ২০ রানে ২০ বলের সান্নিধ্য বজায় রাখেন। তিনি দুইটি ছক্কা, একটি চার এবং দুইটি ডাবলসের মাধ্যমে রান সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে শেষ দুই বলেই ছক্কা গড়ে শেষ ওভারকে দলের সর্বোচ্চ রানের ওভার করে তুলেছেন। স্টাবসের ২৪ বলের ৪৪* অপরাজিত ইনিংস দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ উইকেটের সঙ্গে ১৮৭ রানে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
স্টাবসের আগে ডেভিড মিলার এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের পারফরম্যান্সও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুজনই চার ওভারে মোট ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে দলের পতন থামাতে সাহায্য করেন। তাদের অংশীদারিত্বে ৯৭ রান যুক্ত হয়। ব্রেভিস ২৯ বলের মধ্যে ৪৫ রান করে আউট হন, আর মিলার ৩৫ বলের শেষে ৬৩ রান করে, যদিও তিনি ২৬ বলেই পঞ্চাশের সীমা পার করে বড় ইনিংস গড়তে পারেননি।
ভারত ক্রিকেট দলের বুমরা বোলিংয়ে শীর্ষে ছিলেন। পাওয়ারপ্লে দুই ওভারে তিনি মাত্র ৭ রানে ২ উইকেট নেন, আর ডেথ ওভারের শেষ দুই ওভারে ৮ রানে ১ উইকেট নেন, ফলে তার মোট পরিসংখ্যান ৩ উইকেটের জন্য ১৫ রানে সীমাবদ্ধ থাকে। অর্শদীপও ২ উইকেটের সঙ্গে ২৮ রানে দায়িত্ব পালন করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের মোট স্কোর ২০ ওভারে ১৮৭/৭, যেখানে মিলার ৬৩, ব্রেভিস ৪৫ এবং স্টাবস ৪৪* অবদান রাখেন। বুমরা ৩/১৫ এবং অর্শদীপ ২/২৮ রানে ভারতকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য স্থাপন করেন।
ইনিংসের মাঝামাঝি পর্যায়ে বুমরা ১৯ ওভারে ১৬৭/৭ স্কোরে ৩ রানে ১ উইকেট নেন, যার মধ্যে তার চতুর্থ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে করবিন বশের উইকেট নেয়া হয়। পূর্বে ১৭তম ওভারে তিনি ৫ রান দেন। মোট চার ওভারে তিনি ১৫ রান এবং ৩ উইকেটের পারফরম্যান্স দেখান।
দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫.৪ ওভারে স্কোর ১৫২/৫, যেখানে মিলার-ঝড় থেকে ভারতকে শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা হয়। ১৬তম ওভারে বরুণ চক্রবর্তীর চতুর্থ বলের লং অফে তিলকের হাতে ক্যাচে স্টাবসের পঞ্চাশের রান শেষ হয়, এবং মিলার ৩৫ বলের শেষে ৬৩ রান করে আউট হন। এটি মিলারের বিশ্বকাপের চতুর্থ ইনিংস, পূর্বের তিনটি ইনিংসই অপরাজিত (৩৯*, ২০* ও ২৪*) ছিল, আজ প্রথমবার আউট হন।
দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ১৩ ওভারে ১২৮/৪ স্কোরে পৌঁছায়, যেখানে ব্রেভিসের আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলার চারটি চার মারেন এবং পঞ্চাশের সীমা অতিক্রম করেন। তার পঞ্চাশটি আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্যারিয়ারে নবম, যার মধ্যে ছয়টি চার এবং তিনটি ছক্কা রয়েছে।
১২.২ ওভারে স্কোর ১১৭/৪, যেখানে ওভারের প্রথম বল লং অফে ছক্কা মারেন। দ্বিতীয় বলেও চেষ্টা করেন, তবে টাইমিং সঠিক না হওয়ায় বল উপরে উঠে যায় এবং মিডউইকেট বাউন্ডারির কাছের ক্যাচে অভিষেক শর্মা গ্রহন করেন। দুবের বলে ব্রেভিস ২৯ বলের মধ্যে ৪৫ রান করে ফিরে আসেন।
ম্যাচের সমাপ্তিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল ১৮৮ রানের লক্ষ্য স্থাপন করে, এবং ভারত ক্রিকেট দল শূন্যে বিদায় নেয়া ঈশানের সঙ্গে কঠিন শুরুর মুখোমুখি হয়। পরবর্তী ম্যাচে উভয় দলই তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করে শীর্ষে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।



