23.8 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সুশাসন ও স্বচ্ছতা দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সুশাসন ও স্বচ্ছতা দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘোষণা

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি সভা পরিচালনা করেন। সভাটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এবং সরকারের শিক্ষানীতি সংক্রান্ত লক্ষ্যগুলো তুলে ধরা হয়। এই সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল মন্ত্রণালয়ের বর্তমান কাজের অবস্থা পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা একত্রে বর্তমান প্রকল্প, চলমান কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। এজেন্ডায় বিশেষভাবে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, “সুশাসনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা আমাদের অগ্রাধিকার।” তিনি উল্লেখ করেন যে সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মন্ত্রীর বক্তব্যে জোর দেওয়া হয়েছে যে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য নীতি ও বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্ত্রীর মতে, শুধুমাত্র সচিবালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখা যথেষ্ট নয়; মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনের ব্যবস্থা শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সহায়ক হবে। স্বচ্ছতা বাড়াতে নিয়মিত অডিট, পাবলিক রিপোর্ট এবং অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হবে।

মিলন আরও যোগ করেন, “দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে হলে পুরনো চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি।” তিনি সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল ও নতুন ধারণা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এ জন্য শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পাঠ্যক্রম, প্রযুক্তি-সমর্থিত শিক্ষণ পদ্ধতি এবং প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষার দিকে অগ্রসর হওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার গুণগত মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।” শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর তার ভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষা। তিনি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য নতুন পাঠ্যপুস্তক, শিক্ষকের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয় অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়, এ কথায় তিনি জোর দেন। তাই সরকার প্রাথমিক স্তরে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে নীতি ও প্রকল্প চালু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ এলাকায় নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ, বিদ্যমান বিদ্যালয়ের পুনর্নবীকরণ এবং শিক্ষকের

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments