বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গাজি আশরাফ হোসেন লিপুকে চিফ সিলেক্টরের পদে এক মাসের অতিরিক্ত মেয়াদ প্রদান করেছে। এই সিদ্ধান্তটি বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের সর্বশেষ সভার পরে জানানো হয়েছে।
লিপু ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ মিনহাজুল আবেদিন নান্নু পরিবর্তে সিলেকশন প্যানেলে যোগ দেন। তার মূল চুক্তি ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আগ্রহ না দেখিয়ে ইমেইলের মাধ্যমে বোর্ডকে জানিয়ে দেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে এই বিষয়টি আলোচনা করা হয়। সভার পরে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেন।
“চুক্তি ফেব্রুয়ারি শেষ হতে যাচ্ছিল, আমরা এক মাস বাড়িয়ে মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছি,” আমজাদ হোসেন বলেন। “ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগ পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে,” তিনি আরও যোগ করেন।
সিলেকশন প্যানেলে চিফ সিলেক্টরের পাশাপাশি আরেকটি শূন্য পদ রয়েছে। আমজাদ হোসেন জানিয়েছেন, “এই শূন্য পদগুলোর জন্য আমরা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেব,” যাতে নতুন সদস্যদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
লিপুর নেতৃত্বে প্যানেলে পূর্বে আবদুর রজাক এবং হান্নান সরকার ছিলেন। হান্নান সরকার গত বছর ফেব্রুয়ারিতে কোচিং ক্যারিয়ারকে অগ্রাধিকার দিতে পদত্যাগ করেন, ফলে প্যানেলে একটি শূন্য স্থান রয়ে যায়।
সেপ্টেম্বর মাসে প্রাক্তন পেসার হাসিবুল হোসেন শান্তোকে সিলেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হয়। তিনি প্যানেলে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন এবং নির্বাচনী কাজের দায়িত্ব ভাগ করে নেন।
আবদুর রজাক চার বছরের বেশি সময় সিলেক্টর হিসেবে কাজ করার পর নিজের চুক্তি শেষ করে বোর্ডের নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করেন। পরে তিনি খুলনা বিভাগ থেকে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়াই বোর্ডের পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন।
বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে দুইটি শূন্য পদ পূরণ করা হবে, যার মধ্যে চিফ সিলেক্টরের পাশাপাশি আরেকজন সিলেক্টর অন্তর্ভুক্ত। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সিলেকশন প্যানেল সম্পূর্ণ হবে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই পদক্ষেপগুলো দেশের ক্রিকেট উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগ ভবিষ্যতে সিলেকশন প্যানেলের কাঠামো ও দায়িত্ব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট নির্দেশনা দেবে।
নতুন সিলেক্টরদের নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা সময়ে, লিপুর চুক্তি এক মাস বাড়িয়ে মার্চ পর্যন্ত চালু থাকবে, যা স্বল্পমেয়াদে নির্বাচনী কাজের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।



