পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুইন্টি২০ বিশ্বকাপের সুপার‑এইট ম্যাচে ইংল্যান্ড ১৪৬/৯ স্কোরে শ্রীলঙ্কাকে ৯৫ সবআউট করে ৫১ রান পার্থক্যে জয়লাভ করে। ইংল্যান্ডের জ্যাক্সের ব্যাট ও বল উভয় দিকের অবদান ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ইংল্যান্ডের শুরুর ইনিংসটি কঠিন ছিল; অর্ধেকের আগে স্কোর ৬৮/৪ এ আটকে যায়। জোস বাটলারের ১৪ বলের প্রচেষ্টা শেষ হয় লব্বি দিয়ে ৭ রান করে আউট হওয়ায়, যখন তিনি স্পিনার ডুনিথ ওয়েলালেজের বিপরীত শটের চেষ্টা করেন। মেহীশ থিকশানা জ্যাকব বেটহেলকে মাত্র তিন রানে আউট করেন, আর টম ব্যান্টন ঝুঁকিপূর্ণ একক দৌড়ে শ্যানাকারার সরাসরি থ্রোতে আউট হন। হ্যারি ব্রুক ১৪ রান করেন, তবে ওয়েলালেজের লব্বি আউট তাকে শেষ করে, যা ইংল্যান্ডের ক্যাপ্টেনের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও রিভিউতে অস্বীকার করা যায় না।
ফিল সল্ট ৩৬ বলের মধ্যে ৫০ রান করে দ্রুত অর্ধেক পার করেন, তবে ১৫তম ওভারে ওয়েলালেজের তৃতীয় উইকেটের শিকার হয়ে শীঘ্রই আউট হন। জ্যাক্সের শেষের দিকে যোগ করা রানগুলো ইংল্যান্ডকে ১৫০ রান পার করতে না পারলেও, তার ২১ রান ও ৩/২২ বলিং পারফরম্যান্স তাকে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের মর্যাদা এনে দেয়। তিনি বললেন, “এটি আমাকে গেমে ফিরে এসে আরও ভালো পারফর্ম করতে উৎসাহিত করে।” এবং “পাওয়ারপ্লে-এ বোলিং আমার জন্য নতুন কিছু নয়, আমি এ নিয়ে অভ্যস্ত।”
শ্রীলঙ্কার টস জয় করে শ্যানাকা ফিল্ডে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যা প্রথম পাঁচ ওভারে ইংল্যান্ডকে ২২/৪ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করে। জ্যাক্সের ধারাবাহিক দুইটি উইকেট—কুসাল মেন্ডিস ও পাভান রথনায়েক—ইংল্যান্ডের জোফ্রা আর্চারের পাথুম নিসানকারের আউটের পরপরই আসে। আর্চার আরও কামিল মিশারাকে আউট করেন, ফলে শ্রীলঙ্কা ৩৪/৫ স্কোরে আটকে যায়, ওয়েলালেজের তৃতীয় উইকেটের পরেও হাল ছাড়তে পারে না।
শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত ১৭ ওভারে ৯৫ রান করে সবআউট হয়, যেখানে বেশ কয়েকজন শীর্ষ ব্যাটসম্যান নরম ডিফেন্সের কারণে আউট হন। ডুশান হেমন্থার অদ্ভুত কিছু ঘটনার উল্লেখ মূল প্রতিবেদনে অসম্পূর্ণ ছিল, তাই তা এখানে পুনরায় উল্লেখ করা হয়নি। ইংল্যান্ডের শক্তিশালী বলিং পারফরম্যান্স শ্রীলঙ্কার রিকভারি প্রচেষ্টাকে বাধা দেয় এবং ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে।
ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে সুপার‑এইটের আরেকটি দলকে মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে জ্যাক্সের বহুমুখী পারফরম্যান্স দলকে আরও আত্মবিশ্বাস দেবে। শ্রীলঙ্কা তাদের পরবর্তী গেমে পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে, তবে এই পরাজয় তাদের টুর্নামেন্টের অবস্থানে প্রভাব ফেলবে।
টুর্নামেন্টের শিডিউল অনুযায়ী, সুপার‑এইটের শেষ ম্যাচগুলো আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে, এবং বিজয়ী দলগুলো সেমিফাইনালে অগ্রসর হবে। উভয় দলের জন্য এই পর্যায়ে জয় নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।



