শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টি২০ আন্তর্জাতিকের প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল ২০ ওভারে ১২৪ রান করে ৭ উইকেট হারিয়ে শেষ করেছে। দলটি ১৭ ওভারে ১২৪/৬ স্কোরে থেমে গিয়েছিল, যা শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য পূরণের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।
ইংল্যান্ডের ওপেনার ৪০ বলে ৬২ রান করে শক্তিশালী সূচনা দেয়, তবে ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফিল সল্ট লং অনে ক্যাচ নিয়ে শ্রীলঙ্কার তৃতীয় উইকেট নেয়। এই ধাক্কা পরবর্তী ওভারে দলটি দ্রুত ১০০ রান পৌঁছায়, যেখানে ফিল সল্ট ৩৯ বলে ৬২ রান করে দ্রুত অর্ধশতক পূরণ করে।
মহীশ তিকশানা প্রথম ৪ ওভারে ২১ রান conced করে ২ উইকেট নেয় এবং তার বোলিং কোটা শেষ করে। তার পরের ওভারগুলোতে তিনি লিয়াম ডসনকে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কার সপ্তম উইকেট নিশ্চিত করেন, ফলে ইংল্যান্ডের স্কোর ১২৪ রানে ৭ উইকেটের সমাপ্তি পায়।
১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই দুষ্মন্ত চামিরার ছক্কা স্যাম কারেনের ক্যাচে শেষ হয়, ফলে ইংল্যান্ডের পঞ্চম উইকেট ৯৪ রানে পড়ে। একই ওভার শেষের দুইটি চার এবং একটি ছক্কা যোগে দলটি অতিরিক্ত ১০ রান বাড়িয়ে ১০০ রানে পৌঁছায়, যেখানে ফিল সল্টের দ্রুত অর্ধশতক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফিল সল্টের ক্যাচে ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেট ১০৬ রানে নেমে আসে। এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কা দ্রুত আক্রমণ চালিয়ে যায়, তবে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ এখনও কিছুটা স্থিতিশীল থাকে।
নবম ওভারের দ্বিতীয় বলেই ইংল্যান্ডের স্কোর ৫০ রানে পৌঁছায়, এবং ওভার শেষের সময় কোনো বাউন্ডারি না দিয়ে ১০ রান যোগ করে ৫৯/৩ হয়। ফিল সল্ট ৩৪ বলে ৩৪ রান করে, তবে ওভার থ্রোতে এক বলের সীমানা বাইরে যাওয়ায় অতিরিক্ত ছয় রান যোগ হয়।
দশম ওভারের শেষ বলেই অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক আউট হন, ভেল্লালাগের বলের মাধ্যমে তিনি ৭ বলে ১৪ রান করে দলকে ছেড়ে যান। ব্রুকের প্রস্থান পরবর্তী ওভারে ফিল সল্ট ৪২ রানে ব্যাটিং চালিয়ে যান, তবে দ্রুত স্কোর বাড়াতে পারছেন না।
মিড‑অফ থেকে সরাসরি থ্রোতে নন‑স্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেট ভেঙে টম ব্যান্টনকে ফিরিয়ে দাসুন শানাকা শ্রীলঙ্কা দলকে তৃতীয় উইকেট নিশ্চিত করে, যা ৪৯ রানে ইংল্যান্ডের স্কোরকে কমিয়ে দেয়। এই উইকেটের পর দলটি দ্রুত রিফ্লেকশন দেখায় না এবং স্কোর বৃদ্ধি পায় না।
ষষ্ঠ ওভারটি এক উইকেট ও ৩২ রান নিয়ে শুরু হয়, তবে শ্রীলঙ্কা বোলিং পরিবর্তন করে মহীশ তিকশানা প্রথম বলেই জ্যাকব বেথেলের উইকেট নেয়। বেথেল ৪ বলে মাত্র ৩ রান করে, এবং টম ব্যান্টন ব্যাটিংয়ে নেমে আসে, তবে ওভারটিতে মাত্র ৫ রান যোগ হয়।
ইংল্যান্ডের পাওয়ারপ্লে শেষের দিকে দুইটি উইকেটের বিনিময়ে ৩৭ রান যোগ হয়, যা দলের মোট স্কোরকে ১২৪ রানে স্থিত করে। শ্রীলঙ্কা বোলারদের ধারাবাহিক চাপের ফলে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ধারাবাহিকভাবে ভেঙে পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটের ক্ষতি হয়।
ম্যাচের পর বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংল্যান্ডের শীর্ষ ব্যাটসম্যানদের দ্রুত অর্ধশতক গঠন সত্ত্বেও মাঝখানে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি। শ্রীলঙ্কা বোলিং ইউনিটের পরিবর্তন এবং ফিল সল্টের ক্যাচের মাধ্যমে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ উইকেটগুলো ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করেছে। পরবর্তী ম্যাচে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে শীর্ষ পারফরম্যান্স পুনরায় গড়ে তুলতে হবে।



