ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের মাধ্যমে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন। তিনি নিজে উল্লেখ করেছেন যে, দায়িত্বের একটি পর্যায়ে পৌঁছে এখন সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর রোববার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায়, উপাচার্য খানের এই পদত্যাগের আবেদন অফিসিয়ালভাবে দাখিল করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন জমা দেওয়ার সঠিক সময় ও পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি খানের একটি পূর্ববর্তী বিবৃতিতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে, তিনি তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান। সেই দিন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সভায় এই ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
সেই বিকেলে, উপাচার্য কার্যালয়সংলগ্ন অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরীর আয়োজনে ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে উপস্থিত সকলকে খানের পদত্যাগের ইচ্ছা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়।
সম্মেলনে খানের বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, “আমরা দায়িত্ব পালনের একটি পর্যায়ে পৌঁছেছি এবং এখন সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে”। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা একটি ভালো পর্যায়ে রয়েছে এবং নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন অনুভব করছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, উপাচার্য খানের পদত্যাগের আবেদন এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর কর্তৃপক্ষের পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। আবেদন গ্রহণের পর, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে উপাচার্য পদে নতুন নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় উপাচার্য পদত্যাগের প্রক্রিয়া সাধারণত সরকারী অনুমোদন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ডের সমর্থন প্রয়োজন করে। এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা ও শর্তাবলী পূর্বে নির্ধারিত নীতিমালার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি যে, নতুন উপাচার্য নির্বাচনের সময়সূচি কী হবে। তবে পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, পদত্যাগের পর দ্রুত বিকল্প প্রার্থী নির্ধারণের প্রচেষ্টা চালু হয়।
শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য এই পরিবর্তনটি কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ের সঙ্গে স্পষ্ট হবে। বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সামাজিক মাধ্যম থেকে আপডেট গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কার্যক্রম বা প্রশাসনিক পরিবর্তন সম্পর্কে আরও জানার ইচ্ছা রাখেন, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ঘোষণাপত্র ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি নিয়মিত অনুসরণ করুন।
আপনার মতামত কী? নতুন উপাচার্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে আপনি কী ধরনের গুণাবলি ও নীতি প্রত্যাশা করেন? আপনার মন্তব্য শেয়ার করুন এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষার দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করুন।



