31.1 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি-মুক্ত অঙ্গীকার, দুই মন্ত্রী শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি-মুক্ত অঙ্গীকার, দুই মন্ত্রী শূন্য সহনশীলতা ঘোষণা

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ.এন.এম. এহছানুল হক মিলন এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আজ সরকারী সচিবালয়ের মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে শিক্ষক‑কর্মচারী ঐক্য জোটের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দুর্নীতি-বিরোধী অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। দুজন মন্ত্রীই স্বীকার করেন যে তারা কোনো ধরনের দুর্নীতি করবে না এবং তা সহ্যও করবে না, যা তাদের শেয়ার করা অঙ্গীকারের মূল বিষয়।

সভা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিক্ষক‑কর্মচারী ঐক্য জোটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এহছানুল হক মিলন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিবেশকে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে চাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং উল্লেখ করেন যে এই নীতি সব সেক্টরে প্রয়োগ করা হবে।

মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুজন মন্ত্রীই দুর্নীতি থেকে দূরে থাকবেন এবং তা অনুমোদন করবেন না, এটিই তাদের অঙ্গীকার। তিনি এই অঙ্গীকারকে মন্ত্রণালয়ের মূল নীতি হিসেবে তুলে ধরেন এবং সকল বিভাগে একই মানদণ্ড বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রণালয় গড়ে তোলার পাশাপাশি তিনি মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক স্বতন্ত্রতা বজায় রাখার কথাও উল্লেখ করেন। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত মন্ত্রণালয় গঠনকে তিনি অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দুইটি নীতি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করবে।

মন্ত্রীর মতে, ভবিষ্যতে নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত সম্মিলিতভাবে গৃহীত হবে, যাতে একতাবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত হয়। তিনি বলেন, সকল সিদ্ধান্তে সমন্বিত আলোচনা ও পর্যালোচনা প্রয়োজন, যা মন্ত্রণালয়ের নীতি ও কার্যক্রমে একতা বজায় রাখবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যিনি মন্ত্রীর বক্তব্যে সমর্থন জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তার উপস্থিতি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

এই ঘোষণার আগে মন্ত্রণালয় দুর্নীতি-বিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রকাশনা করেছে। পূর্বে ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রীর একই রকমের বক্তব্যের সঙ্গে এই অঙ্গীকারের ধারাবাহিকতা দেখা যায়, যা সরকারের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই অঙ্গীকারের ফলে সরকারী দায়িত্বে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা বাড়বে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। যদিও কোনো নির্দিষ্ট নীতি বা আইন প্রণয়নের ঘোষণা না থাকলেও, মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায় কঠোর নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

শিক্ষক‑কর্মচারী ঐক্য জোটের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর বক্তব্যে সম্মতি জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা উল্লেখ করেন, মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপ শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং কর্মীদের মধ্যে বিশ্বাস বাড়াবে।

মন্ত্রীর অঙ্গীকারের পর মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া কীভাবে পরিবর্তিত হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে ভবিষ্যতে সকল সিদ্ধান্তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সারসংক্ষেপে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা আজ দুর্নীতি ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত মন্ত্রণালয় গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয়ের স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ের সাথে স্পষ্ট হবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments