21.8 C
Dhaka
Sunday, February 22, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাসোবহানা মোস্তারি আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ তালিকায়, গ্যাবি লুইস ও টারা...

সোবহানা মোস্তারি আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ তালিকায়, গ্যাবি লুইস ও টারা নরিসের সঙ্গে শীর্ষে

বিশ্ব ক্রিকেটের শাসন সংস্থা আইসিসি শনিবার জানিয়েছে যে, উইমেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্যায়ে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স দেখানো তিনজন খেলোয়াড়কে ‘প্লেয়ার অব দা মান্থ’ সংক্ষিপ্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। তালিকায় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান সোবহানা মোস্তারি, আয়ারল্যান্ডের গ্যাবি লুইস এবং যুক্তরাষ্ট্রের বামহাতি পেসার টারা নরিসের নাম রয়েছে। এই স্বীকৃতি বাছাই পর্যায়ে তাদের অর্জিত রান, উইকেট এবং ম্যাচের প্রভাবের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।

সোবহানা মোস্তারি বাছাই পর্যায়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে মূল টুর্নামেন্টে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ছয়টি ম্যাচে তিনি ৪৫.৮০ গড় এবং ১৪৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে মোট ২২৯ রান সংগ্রহ করেন। তার সর্বোচ্চ স্কোর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ বলের ইনিংসে, যেখানে তিনি এক ছক্কা ও নয়টি চারে করে ৫৯ রান করেন। পরের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪৭ রান যোগ করে তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। বাকি চারটি ম্যাচের তিনটিতে তিনি ত্রিশোর্ধে রান তৈরি করে মিডল অর্ডার ব্যাটার হিসেবে দলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেন এবং অফ-স্পিনে একটি উইকেটও নেন।

সোবহানার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল বাছাই পর্যায়ে অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপের মূল পর্যায়ে টিকিট নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। তার উচ্চ গড় এবং দ্রুত স্ট্রাইক রেট দলকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রানের প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করেছে, যা টুর্নামেন্টের ফলাফলে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের টারা নরিস বাছাই পর্যায়ে দলকে টিকেট না দিলেও তার বোলিং পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে। তিনি মোট ১৫টি উইকেট শিকার করে সর্বোচ্চ শিকারি হিসেবে শিরোপা জিতেছেন, যার মধ্যে জানুয়ারি মাসের পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১১টি উইকেট অন্তর্ভুক্ত। নরিস নামিবিয়া, আয়ারল্যান্ড এবং থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রত্যেকটিতে তিনটি করে উইকেট নেন এবং ব্যাটিংয়ে ৩৯ রান যোগ করেন। তার বহুমুখী অবদান যুক্তরাষ্ট্রের বাছাই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়ারল্যান্ডের গ্যাবি লুইসও বাছাই পর্যায়ে শীর্ষে ছিলেন। ছয়টি ম্যাচে তিনি ১২৪.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ২৫২ রান তৈরি করেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বিপক্ষে ৭৩ রান তার সর্বোচ্চ স্কোর। লুইস মোট ২৭৬ রান সংগ্রহ করে বাছাই পর্যায়ের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন, যা তার দলের টিকেট নিশ্চিত করার পথে বড় অবদান রাখে।

পুরুষদের বিভাগে আইসিসি একই তালিকায় ইংল্যান্ডের জো রুট, নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল এবং ভারতের সুরিয়াকুমার ইয়াদাভকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। জো রুটের বাছাই পর্যায়ে পারফরম্যান্স বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য; তিনি দুইটি ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরি মিলিয়ে ২৪২ রান করেন এবং অফ-স্পিনে দুটি উইকেট নেন। রুটের এই রেকর্ড তাকে ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয়ী করে তুলতে সহায়তা করেছে, যেখানে তিনি দুইটি ফিফটি ও একটি সেঞ্চুরি দিয়ে সিরিজের সেরা ব্যাটসম্যানের উপাধি অর্জন করেন।

ড্যারিল মিচেল এবং সুরিয়াকুমার ইয়াদাভের নামও তালিকায় রয়েছে, যদিও মূল প্রতিবেদনে তাদের নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়নি। তাদের অন্তর্ভুক্তি বাছাই পর্যায়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং দলের সাফল্যে অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।

বাছাই পর্যায়ে মোট ছয়টি ম্যাচে সোবহানা মোস্তারির গড় ৪৫.৮০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৫.৮৫ ছিল, যা তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং স্টাইলের প্রমাণ। তার সর্বোচ্চ ইনিংস থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ বলের ৫৯ রান, যেখানে তিনি এক ছক্কা ও নয়টি চারে মারেন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৭ রান যোগ করে তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। বাকি ম্যাচগুলোতে তিনি মিডল অর্ডার ব্যাটার হিসেবে ত্রিশোর্ধে রান তৈরি করে দলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করেন এবং অফ-স্পিনে একটি উইকেট নেন।

টারা নরিসের বোলিং পারফরম্যান্সে তিনি মোট ১৫টি উইকেট শিকার করেন, যার মধ্যে জানুয়ারি মাসের পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১১টি উইকেট অন্তর্ভুক্ত। তিনি নামিবিয়া, আয়ারল্যান্ড এবং থাইল্যান্ডের বিপক্ষে প্রত্যেকটিতে তিনটি করে উইকেট নেন এবং ব্যাটিংয়ে ৩৯ রান যোগ করেন। তার বহুমুখী অবদান যুক্তরাষ্ট্রের বাছাই প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গ্যাবি লুইসের বাছাই পর্যায়ে পারফরম্যান্সও উল্লেখযোগ্য; ছয়টি ম্যাচে তিনি ১২৪.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ২৫২ রান করেন এবং বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বিপক্ষে ৭৩ রান তার সর্বোচ্চ স্কোর। লুইস মোট ২৭৬ রান সংগ্রহ করে বাছাই পর্যায়ের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন, যা তার দলের টিকেট নিশ্চিত করার পথে বড় অবদান রাখে।

পুরুষদের বিভাগে জো রুটের পারফরম্যান্স বিশেষভাবে উজ্জ্বল; তিনি দুইটি ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরি মিলিয়ে ২৪২ রান করেন এবং অফ-স্পিনে দুটি উইকেট নেন। রুটের এই রেকর্ড তাকে ইংল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয়ী করে তুলতে সহায়তা করেছে, যেখানে তিনি দুইটি ফিফটি ও একটি সেঞ্চুরি দিয়ে সিরিজের সেরা ব্যাটসম্যানের উপাধি অর্জন করেন। এছাড়া, তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজের শেষ ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে অবদান রাখেন।

আইসিসি এই তালিকায় সোবহানা মোস্তারির উজ্জ্বল ব্যাটিং, গ্যাবি লুইসের ধারাবাহিক রান সংগ্রহ এবং টারা নরিসের শীর্ষ বোলিং পারফরম্যান্সকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবদানকে আরও দৃঢ় করে এবং আসন্ন বিশ্বকাপ মূল পর্যায়ে তাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়।

বাছাই পর্যায়ের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এবং অন্যান্য দলগুলো টিকেটের জন্য শেষ লড়াইয়ে লিপ্ত হবে। আইসিসি ঘোষিত ‘প্লেয়ার অব দা মান্থ’ তালিকায় থাকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স পরবর্তী টুর্নামেন্টে কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা নজরে থাকবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments