আজ সন্ধ্যায় গুলশান থানার কর্মকর্তারা ঢাকার গুলশান এভিনিউতে তারেক রহমানের গুলশান বাসভবনের সামনে একটি দলকে আটক করেছেন। আটক করা ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন নারী। দলটি বাসভবনের প্রবেশদ্বারের ঠিক সামনে বসে ছিল এবং প্রাইমারী মন্ত্রীকে সাক্ষাৎ করার দাবি করে প্রতিবাদমূলকভাবে বসে ছিল।
অধিক তথ্য না থাকায় আটক ব্যক্তিদের পরিচয় তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করা হয়নি। গুলশান থানার তদন্তকারী রকিবুর রহমান জানান, দলটি বাসভবনের সামনে সিট‑ইন করে প্রাইমারী মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল।
রকিবুর রহমানের মতে, আটকদের বসে থাকা অবস্থায় তারা বারবার বলেছিল যে তারা সরাসরি তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে চায়। তবে তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, দলটির সদস্যদের উত্তরগুলো পরস্পরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।
বিবরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করে গুলশান থানা দলটিকে গুলশান থানায় নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।
গৃহস্থালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গুলশান থানা অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ সিট‑ইন প্রতিরোধে সতর্কতা বাড়াবে।
অধিক তদন্তের পর, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুলশান থানা এই ধরনের প্রতিবাদকে অবৈধ বলে গণ্য করে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাসভবনের সামনে এমন প্রতিবাদ ঘটলে নিরাপত্তা ও জনমত উভয়ের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। তাই সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর দৃষ্টিকোণ থেকে এই ঘটনা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
অবশেষে, গুলশান থানা জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ফলাফল ও সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে, যা জনসাধারণের জানার অধিকার নিশ্চিত করবে।



