25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাশিক্ষামন্ত্রী বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা বাদ দিয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি দাবি

শিক্ষামন্ত্রী বেকারত্ব বাড়ায় এমন শিক্ষা বাদ দিয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি দাবি

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালবেলায় রাজধানীর মিরপুরে মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিশুদের হাতে‑কলমে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি প্রাথমিক স্তরে পাঠদান পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা এবং বেকারত্ব বাড়িয়ে দেয়া সিস্টেম বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।

মন্ত্রীর মতে, প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্তিসঙ্গত ও ব্যবহারিক পদ্ধতি গ্রহণ করা উচিত, যাতে মুখস্থ করার ওপর নির্ভরতা কমে। হাতে‑কলমে কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।

বেকারত্বের কারণ হওয়া শিক্ষাব্যবস্থা বাদ দিয়ে কার্যকরী কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তিনি জোর দিয়ে বললেন। নতুন পদ্ধতিতে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বাংলা ভাষার অবস্থান শক্তিশালী করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। সব স্তরে বাংলা ব্যবহার বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়।

একই অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা সঠিকভাবে না দিলে জাতি গঠন সম্ভব নয়।

ববি হাজ্জাজ দেশের সর্বত্র বিশ্বমানের শিক্ষা ধারাবাহিকভাবে চালু করার পরিকল্পনা জানিয়ে দেন। সমান মানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে মানদণ্ড ও গুণগত নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

দুই মন্ত্রীই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তরকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে চাওয়া প্রকাশ করেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা রূপান্তরের মূল শর্ত বলে উল্লেখ করা হয়।

এই মন্তব্যগুলো এই বছরের শুরুতে ঘোষিত শিক্ষার সংস্কার পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা। সংস্কারগুলোতে পাঠ্যক্রম আধুনিকীকরণ, দক্ষতা‑ভিত্তিক মূল্যায়ন এবং ডিজিটাল সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য রয়েছে।

হাতে‑কলমে শিক্ষার বাস্তবায়ন মানে প্রাথমিক স্তরে বেশি ল্যাব কাজ, মাঠভ্রমণ এবং প্রকল্পভিত্তিক কাজ অন্তর্ভুক্ত করা। শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নত করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই ধরনের পদ্ধতি সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি বাড়ায় এবং প্রযুক্তি ও সেবা খাতে কর্মসংস্থান সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে বেকারত্বের হার কমে আসবে।

বাংলা ভাষার ওপর জোর দেওয়া নীতি অনুযায়ী, ইংরেজিতে শেখানো কিছু বিষয় বাংলা মাধ্যমে শেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সাংস্কৃতিক পরিচয় শক্তিশালী হবে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

নতুন পদ্ধতি কার্যকর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, হালনাগাদ পাঠ্যপুস্তক এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। এসব ব্যবস্থা নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে কার্যকারিতা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রীরা স্কুল প্রশাসক, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। রূপান্তরের সময় সম্প্রদায়ের মতামত সংগ্রহ করে নীতি সমন্বয় করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, ব্যবহারিক শিক্ষাকে একাডেমিক মানের সঙ্গে সমন্বয় করার উপায় খুঁজতে সবাইকে উৎসাহিত করা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গঠন ও ভাষার ভূমিকা নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments