25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিশেখ রবিউল আলম মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা ও বন্দর সংস্কার...

শেখ রবিউল আলম মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা ও বন্দর সংস্কার ঘোষণা

সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনি বিকেলে মোংলা বন্দর পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে জানালেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং বন্দর পরিচালনায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হবে।

মোংলা নদীর ওপর ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। সেতু সম্পন্ন হলে রেলপথের সংযোগ শক্তিশালী হবে এবং পণ্য পরিবহনের সময় কমে যাবে।

রেলপথে নতুন রেল কোচ ও ইঞ্জিন সংযোজনের পরিকল্পনাও মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত রেলগাড়ি ও শক্তিশালী ইঞ্জিন যুক্ত করে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে, যাতে মোংলা-খুলনা রুটে চলাচল সহজ হয় এবং যাত্রী ও পণ্যবাহী সেবা উন্নত হয়।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সরকার মোংলা বন্দরকে আমদানি-রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। মন্ত্রী বলেন, বন্দর পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করলে চট্টগ্রাম বন্দরকে সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারবে এবং দেশের বাণিজ্যিক কাঠামোতে নতুন দিক উন্মোচিত হবে।

বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হলে, মোংলা বন্দর দ্রুতই চট্টগ্রাম বন্দর সমমানের একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বন্দর হয়ে উঠবে, এ কথা তিনি জোর দিয়ে বলেন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বন্দর অবকাঠামো ও সেবা মান উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রীর মতে, সরকারী ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনায় মোংলা বন্দরকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বন্দর পরিচালনা ও রেলপথে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে।

বিকাশের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না, এ বিষয়টি নৌপরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে ভাগ করা হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মোংলা বন্দরের সম্ভাবনাকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে এটিকে আধুনিক ও সক্ষম বন্দর রূপে গড়ে তোলা হবে।

মোংলা বন্দর সংলগ্ন কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাতিল বা স্থগিত উন্নয়ন চুক্তি পুনরায় চালু করার প্রশ্নে মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, দেশের স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করা হবে। ক্ষতি স্বরূপ চুক্তিগুলো পুনরায় কার্যকর করার আগে গভীর মূল্যায়ন করা হবে।

জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে বন্দরটির গুরুত্ব বিবেচনা করে, মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন সমস্যার শনাক্তকরণ করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্দর উন্নয়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, যা স্থানীয় কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই ঘোষণার আগে, মন্ত্রী বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় বন্দর ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ট্রান্সপোর্ট সংযোগের বিষয়গুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা, পাশাপাশি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, যা বন্দর উন্নয়নের বহুমুখী দৃষ্টিকোণকে প্রতিফলিত করে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments