25.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিসুপ্রিম কোর্টের রায়ে $133 বিলিয়ন শুল্কের ভবিষ্যৎ অনির্ধারিত, ইলিনয়ের গভার্নর ও কোম্পানিগুলো...

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে $133 বিলিয়ন শুল্কের ভবিষ্যৎ অনির্ধারিত, ইলিনয়ের গভার্নর ও কোম্পানিগুলো দাবি করছে ফেরত

সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ রায়ে $133 বিলিয়ন শুল্কের সংগ্রহের পরবর্তী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ না থাকায় মার্কিন সরকার কত টাকা ফেরত দেবে তা অনিশ্চিত রয়ে গেছে। এই রায়ের ফলে শুল্কের অবৈধ ঘোষণার ফলে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতির ক্ষতিপূরণ কীভাবে বিতরণ হবে, তা এখন পর্যন্ত পরিষ্কার হয়নি।

ইলিনয় রাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর জে বি প্রিৎজকার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পকে চিঠি লিখে তার রাজ্যের পরিবারগুলোর জন্য প্রায় $9 বিলিয়ন শুল্ক ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে শুল্কের ফলে কৃষক, মিত্র দেশ এবং সাধারণ ভোক্তাদের উপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রিৎজকারের চিঠিতে প্রতিটি পরিবারকে প্রায় $1,700 ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যা ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে গত বছর গড়ে প্রতিটি মার্কিন পরিবারের শুল্কের বোঝা সমান। এই পরিমাণকে ভিত্তি করে ইলিনয়ের পরিবারগুলোকে আর্থিক স্বস্তি দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুল্কের খরচ ভোক্তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া বিভিন্ন কোম্পানি এখন একত্রে শুল্ক ফেরতের দাবি জানিয়ে একতাবদ্ধ হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোকে বাস্তবায়নের পথটি জটিল এবং অনিশ্চিত হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা সতর্কতা প্রকাশ করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে শুল্কের অতিরিক্ত খরচ ভোক্তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া কোম্পানিগুলো ফেরত পাওয়ার আশায় থাকলেও, রায়ের প্রকৃতি বিবেচনা করে তাদের প্রত্যাশা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও ট্রাম্প শিবিরে শুল্ক ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে প্রশাসন বা আদালত কোনো নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া প্রকাশ করেনি।

ট্রাম্পের শুল্ক ফেরতের প্রতিশ্রুতি আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক উভয়ভাবেই প্রকাশিত হয়েছে, তবে এখনো কোন আইনগত কাঠামো বা বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়নি। ফলে কোম্পানি ও নাগরিক উভয়ই কীভাবে এবং কখন এই অর্থ পাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

পেন-হোয়ার্টন বাজেট মডেলের হিসাব অনুসারে শুল্ক ফেরতের মোট পরিমাণ $175 বিলিয়ন পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে এই বিশাল অর্থের বণ্টন কীভাবে হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়; বিশেষত সাধারণ জনগণের পরিবর্তে কোম্পানিগুলোর হাতে বেশি পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেশি বলে অনুমান করা হচ্ছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট শুল্কের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষতিপূরণ সরাসরি সাধারণ নাগরিকদের দেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে সরকারী নীতি ও আইনি কাঠামো এই ধরনের সরাসরি বিতরণকে জটিল করে তুলতে পারে।

ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে শুল্ক ফেরতের কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে এবং তিনি অনুমান করছেন যে পরবর্তী দুই বছর আইনি লড়াইয়ের মধ্যে থাকবে। এই সময়সীমা শুল্কের ক্ষতিপূরণ পাওয়ার প্রত্যাশা করা জনগণ ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার সময় নির্দেশ করে।

সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং শুল্ক ফেরতের অনিশ্চয়তা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে, বিশেষত নির্বাচনী সময়ে এই বিষয়টি ভোটারদের মনোযোগের কেন্দ্রে থাকবে। ভবিষ্যতে কীভাবে এই অর্থের বণ্টন হবে, তা রাজনৈতিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে রয়ে যাবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments