31.5 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমার্কিন সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক রদবদল রায়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের শুল্ক রদবদল রায়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (IEEPA) অধীনে আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক বাতিলের আদেশ দিয়েছে, যা সম্প্রতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে সরাসরি প্রভাবিত করেছে। রায়টি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ওয়াশিংটন ডি.সি. তে শোনানো হয়। শুল্কের বৈধতা নিয়ে একাধিক শিল্প সংস্থা ও বাণিজ্য গোষ্ঠী আদালতে আবেদন করেছিল। আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে আইনটি অনির্দিষ্ট পরিসর, মাত্রা ও সময়সীমার শুল্ক আরোপের অনুমতি দেয় না, কারণ শুল্ক নির্ধারণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকে।

শুল্কের আইনি ভিত্তি অস্বীকার হওয়ায়, মার্কিন সরকার কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তা এখনো অনিশ্চিত। ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী মেয়াদে শুল্ককে বাণিজ্যিক চাপে ব্যবহার করা একটি পরিচিত কৌশল ছিল। মার্কিন সরকার এখনও এই রায়ের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করেনি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শুল্ককে কূটনৈতিক চাপে ব্যবহার করার প্রবণতা বজায় রেখেছে, ফলে নতুন আইনি উপায় অনুসন্ধানের সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের দৃষ্টিতে, এই রায়ের ফলে সদ্য স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মূল শর্তগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। চুক্তিতে নির্দিষ্ট হারে হ্রাসকৃত পারস্পরিক শুল্ক এবং সংশ্লিষ্ট শর্তাবলী অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা এখন আইনি ভিত্তি হারিয়ে গেছে। বাংলাদেশি সরকার চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করেছিল। শুল্ক হ্রাসের শর্তে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা বাড়বে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

অতএব, চুক্তির কার্যকারিতা ও আলোচনার কাঠামো পুনরায় মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। প্রতিটি ধারা বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে কোন অংশ এখনও বাস্তবায়নযোগ্য, কোনটি অপ্রাসঙ্গিক এবং কোনটি দ্বিপাক্ষিক প্রতিশ্রুতি হিসেবে রয়ে গেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে চুক্তির প্রতিটি ধারা পুনরায় বিশ্লেষণ করছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী আলোচনার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হবে।

বাণিজ্য কূটনীতিতে একবার গৃহীত প্রতিশ্রুতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয় না; শুল্কের হুমকি হ্রাস পেলেও তা ভবিষ্যৎ আলোচনার মানদণ্ড বা প্রত্যাশা হিসেবে রয়ে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ক্ষেত্রে শুল্কের পরিবর্তে নন-ট্যারিফ বাধা ব্যবহার করা একটি সাধারণ বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশ এই বিকল্পগুলোকে নিজের সুবিধায় ব্যবহার করতে পারে।

মার্কিন সরকার এখনও বাংলাদেশকে চুক্তি কার্যকর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে, যদিও আদালতের রায় শুল্কের সরাসরি ব্যবহারকে সীমাবদ্ধ করেছে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক মিটিং এবং বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত। শুল্কের পরিবর্তে আর্থিক সহায়তা বা ঋণ শর্তের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা হতে পারে।

একটি সম্ভাব্য পথ হল অন্য আইনগত ভিত্তি ব্যবহার করে নতুন শুল্ক বা বাণিজ্যিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা, তবে এসবের জন্য অত

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments