33.3 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারী ছুটিতে তেজগাঁও PMO-তে কাজ শুরু

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারী ছুটিতে তেজগাঁও PMO-তে কাজ শুরু

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারী ছুটির দিনেও আজ সকাল ১০:১০ টায় তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় (PMO) এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজের সূচনা করেন। তিনি অফিসের প্রধান প্রবেশদ্বার থেকে প্রবেশ করে কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁওতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমান তাঁকে স্বাগত জানিয়ে অফিসে প্রবেশের ব্যবস্থা করেন। উভয় কর্মকর্তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা বাড়িয়ে তুলেছে।

প্রধানমন্ত্রী অফিসের প্রাঙ্গণে মেগনোলিয়া চ্যাম্পাকা গাছের চারা রোপণ করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ প্রার্থনা করেন। তিনি আল্লাহ্‌র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ভবিষ্যৎ কর্মের জন্য আশীর্বাদ চান। এই রীতি সরকারী ছুটির দিনেও দেশের নেতাদের দায়িত্ববোধের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।

চারা রোপণের পর প্রধানমন্ত্রী ‘আমার একুশে’ থিমে একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন, যা ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্মরণে তৈরি। টিকিটের ডিজাইন ও প্রকাশনা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মানসূচক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মূল ভবনে প্রবেশের আগে খালেদা জিয়া শাসনকালে কাজ করা কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপ করেন। তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অতীতের সেবা ও বর্তমানের চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন। এই সাক্ষাৎকারে কর্মস্থলের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের প্রতি সম্মান প্রদর্শিত হয়েছে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও কর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। আলোচনায় দেশের বর্তমান উন্নয়ন প্রকল্প, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় হয়। তিনি কর্মীদের উদ্বেগ শোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শেয়ার করেন।

সরকারি ছুটির দিনেও কাজ শুরু করার এই পদক্ষেপকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার বার্তা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় দায়িত্বের মুখে কোনো দিনই বিশ্রাম নয়, কর্মই সবার জন্য সেবা।

বিপক্ষের কিছু রাজনৈতিক দল এই ঘটনার ওপর মন্তব্য করে বলেছেন, সরকারী ছুটিতে কাজ শুরু করা রাজনৈতিক স্বার্থের প্রকাশ হতে পারে। তারা উল্লেখ করেছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ডে জনগণের মনোযোগ আকর্ষণ করে নির্বাচনী ক্যালেন্ডারকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোনো সরাসরি সমালোচনা প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, এই ধরনের দৃশ্যমান কর্মকাণ্ড সরকারী কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচনের পূর্বে জনমত গঠনেও ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ও নতুন উদ্যোগের সূচনা রাজনৈতিক মঞ্চে শক্তি প্রদর্শনের একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সারসংক্ষেপে, আজকের অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারী ছুটির দিনেও কর্মে যুক্ত থাকার দৃঢ়সংকল্পকে তুলে ধরেছে। চারা রোপণ, প্রার্থনা, স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন এবং কর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই নির্ধারণ করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments