প্রেরণা অরোরা, জি স্টুডিওসের উমেশ কেআর বানসাল এবং সৃষ্টিকর্তা‑সহ‑প্রযোজক কীর্থন একত্রে একটি অজানা শিরোনামের মিথো‑ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্রের জন্য হাত মিলিয়েছেন। প্রধান চরিত্রে কিরণ আব্বারামকে বসানো হয়েছে এবং প্রকল্পটি তেলুগু‑হিন্দি দ্বিভাষিক হিসেবে পরিকল্পিত।
এই যৌথ উদ্যোগটি ভারতীয় সিনেমার সর্বোচ্চ মাত্রার মিথোলজি ও ফ্যান্টাসি মিশ্রণকে লক্ষ্য করে। শিরোনাম এখনও গোপন রাখা হলেও, শিল্পের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। প্রযোজক দলটি চলচ্চিত্রের পরিসর ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রকল্পের প্রি‑প্রোডাকশন কাজ দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে। দ্বিভাষিক প্রকৃতির কারণে স্ক্রিপ্ট ও চরিত্রের বিকাশে অতিরিক্ত মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং কিরণ আব্বারামের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী নারী প্রধান চরিত্রের সন্ধান চলছে, যিনি গল্পের মিথোলজিক্যাল জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
চলচ্চিত্রটি মিথোলজি, ফ্যান্টাসি এবং আধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হবে। কীর্থন, যিনি বিজ্ঞাপন জগতে দৃশ্যমান গল্প বলার মাধ্যমে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন, তিনি বড় স্কেলের VFX‑চালিত দৃশ্যের জন্য বিশদ প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, দর্শকদের জন্য আগে কখনো না দেখা ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা তৈরি করা হবে।
দলটি ইতিমধ্যে বিশাল সেট নির্মাণের পরিকল্পনা চালু করেছে। কেরালা, কোডাইকানাল, কর্ণাটক, পশ্চিমা ঘাট এবং হাম্পির ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে শুটিং লোকেশন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই স্থানগুলো চলচ্চিত্রের পৌরাণিক ও মহাকাব্যিক স্বরকে সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান শুটিংয়ের সূচনা সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত হয়েছে। সেট‑আপ, কাস্টিং এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সমান্তরালে চলবে, যাতে সময়সূচি মেনে উচ্চমানের উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়। নির্মাণ কাজের শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শুটিং শিডিউলও চূড়ান্ত করা হবে।
প্রযোজকরা উল্লেখ করেছেন, এই প্রকল্পটি আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন মিথের সমন্বয়ে একটি নতুন ধারা তৈরি করবে। ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের ক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিযোগিতামূলক মান বজায় রাখতে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।
কীর্থনের বিজ্ঞাপন পটভূমি তাকে দৃশ্যমান বর্ণনা তৈরিতে দক্ষ করে তুলেছে, যা চলচ্চিত্রের বিশাল স্কেল ও জটিলতা পরিচালনায় সহায়ক হবে। তিনি উল্লেখযোগ্যভাবে ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের মাধ্যমে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চান।
প্রকল্পের গোপনীয়তা বজায় রাখতে শিরোনাম ও কিছু মূল তথ্য এখনও গোপন রাখা হয়েছে, তবে শিল্পের ভেতরে ইতিমধ্যে উচ্চ প্রত্যাশা গড়ে উঠেছে। এই মিথো‑ফ্যান্টাসি চলচ্চিত্রটি ভারতীয় সিনেমার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা রাখে।
সামগ্রিকভাবে, প্রেরণা অরোরা, জি স্টুডিওস এবং কীর্থনের এই যৌথ উদ্যোগটি বৃহৎ স্কেলের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা এবং সমৃদ্ধ মিথোলজি উপস্থাপন করে দর্শকদের জন্য একটি অনন্য সিনেমাটিক যাত্রা তৈরি করবে। চলচ্চিত্রটি যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, তবে এটি ভারতীয় মিথো‑ফ্যান্টাসি ধারার একটি মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।



