33.3 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনপ্রথম আলো ভবনের শিল্প প্রদর্শনীতে দর্শকরা মিডিয়া হামলার নিন্দা ও পদক্ষেপের আহ্বান...

প্রথম আলো ভবনের শিল্প প্রদর্শনীতে দর্শকরা মিডিয়া হামলার নিন্দা ও পদক্ষেপের আহ্বান জানালেন

গত শুক্রবার, ঢাকা শহরের প্রথম আলো ভবনে অনুষ্ঠিত শিল্প প্রদর্শনীতে বিশাল দর্শকসঙ্কলন লক্ষ্য করা যায়। এই অনুষ্ঠানটি শিল্পী মাহ্‌বুবুর রহমানের “আলো” শিরোনামের কাজের সমাবেশ, যা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে।

প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকে এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এই সময়সূচি অনুসারে, আগের দিনের তুলনায় ছুটির দিনে দর্শকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দর্শকরা কেবল শিল্পকর্মের প্রশংসা নয়, সাম্প্রতিক গণমাধ্যমের ওপর হামলা ও অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানাতে একত্রিত হয়েছেন। তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে সরব সুরে প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে।

সকালবেলা, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। ভেতরের ধ্বংসাবশেষ দেখে তিনি বিস্ময় ও অনুপ্রেরণার মিশ্র অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম আলো ভবনের এই ধ্বংসের দৃশ্য তার কল্পনার বাইরে ছিল।

মজুমদার আরও বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যতই দমন করার চেষ্টা করা হোক, তা শেষ পর্যন্ত দমিয়ে রাখা যায় না। সত্যের আলো অবশেষে প্রকাশ পাবে, এবং সভ্যতা আগুনে পুড়িয়ে না দিয়ে পুনরুত্থিত হবে।

প্রদর্শনীতে শহীদ কবিরের কাজও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা মজুমদার বিশ্বমানের হিসেবে প্রশংসা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাঙালি জাতির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কোনো শক্তি ধ্বংস করতে পারে না।

বিকেলে, সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান প্রদর্শনী পরিদর্শন করে তার মতামত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এমন বর্বরতা মানুষ করতে পারে তা কল্পনাতীত। প্রদর্শনীটি তাকে ইতিহাসের সাক্ষী বানিয়ে দিয়েছে।

খান আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গণমাধ্যম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে চালিত হামলা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এই আক্রমণগুলো সুপরিকল্পিত এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত হয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণমানুষের মতামতকে মব দিয়ে থামানো সম্ভব নয়। জনগণের সজাগতা ও সমর্থনই এই ধরনের সহিংসতার মোকাবেলায় মূল শক্তি।

সার্বিকভাবে, দর্শক ও শিল্পপ্রেমীরা একসাথে মিলিত হয়ে শিল্পের মাধ্যমে সামাজিক বার্তা পৌঁছে দিতে সচেষ্ট ছিলেন। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নিন্দা প্রদর্শনীকে শুধু শিল্পকেন্দ্রিক নয়, সামাজিক প্রতিরোধের মঞ্চে পরিণত করেছে।

প্রদর্শনীটি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে, এবং আগামি দিনগুলোতেও একই সময়ে উন্মুক্ত থাকবে। আগ্রহী দর্শকরা এই সময়ে এসে শিল্পকর্মের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারেন।

শিল্পের এই ধরনের প্রকাশনা, বিশেষ করে প্রথম আলো ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, সমাজের স্বরূপকে শক্তিশালী করে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে এক শক্তিশালী বার্তা প্রদান করে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments