29.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলায় আট বছর বয়সী শিশুর ওপর ধর্ষণ, সন্দেহভাজন সামির গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলায় আট বছর বয়সী শিশুর ওপর ধর্ষণ, সন্দেহভাজন সামির গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় একটি আট বছর বয়সী ছেলেমেয়ের ওপর ধর্ষণের অভিযোগে মিয়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের বাসিন্দা সামিরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি শিশুর মা বৃহস্পতিবার রাতেই দায়ের করেন এবং আহত শিশুটি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছে।

আখাউড়া থানা ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, শিশুর মা রাত্রিকালীন সময়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন এবং শিশুর অবস্থা রক্তাক্ত হওয়ায় জরুরি চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। শিশুটির স্বাস্থ্য অবস্থা স্থিতিশীল, তবে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, সন্দেহভাজন সামির বুধবার বিকাল সময় শিশুটিকে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। অপরাধের পর শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসে এবং পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।

মা জানান, বুধবার বিকাল থেকে তিনি তার সন্তানকে দেখতে পাননি; পরে রক্তাক্ত শিশুটি বাড়িতে এসে পৌঁছায়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে সন্দেহভাজনের পরিবারকে জানালেন, তবে তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে জানান।

পুলিশের মতে, সামির অপরাধের পর গভীর রাতে ট্রেনে পালানোর চেষ্টা করছিল। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে থামিয়ে গ্রেপ্তার করে এবং আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠায়।

গ্রেপ্তারকৃত সামিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও শিশু শোষণ সংক্রান্ত আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে আদালতে হেফাজতে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।

শিশুটির চিকিৎসা চলাকালীন ফরেনসিক দলও তার দেহে DNA নমুনা সংগ্রহ করেছে, যা ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। রোগীর শারীরিক ক্ষতি নির্ণয়ের জন্য রেডিওলজি ও রক্ত পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ তদন্তের অংশ হিসেবে জঙ্গলের নির্দিষ্ট স্থান চিহ্নিত করেছে এবং সেখানে উপস্থিত সম্ভাব্য সাক্ষী ও প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধস্থল থেকে প্রাপ্ত জুতার ছাপ ও অন্যান্য পদচিহ্ন বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

স্থানীয় মানুষদের মধ্যে এই ঘটনার প্রতি শোক ও নিন্দা প্রকাশ পেয়েছে। আখাউড়া থানা সম্প্রদায়কে সতর্ক করেছে যে, শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

অধিকন্তু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আইন প্রয়োগকারী সংস্থা শিশু শোষণ বিরোধী আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি চালু করবে।

এই মামলায় প্রমাণ সংগ্রহ ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা জনসাধারণের সঙ্গে শেয়ার করা হবে। বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজনকে হেফাজতে রাখা হবে।

শিশুর পরিবার এখনো শোকাহত, তবে তারা ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় রয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও চিকিৎসা কর্মীরা শিশুর পুনর্বাসন ও মানসিক সহায়তা প্রদানেও মনোযোগ দিচ্ছে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments