23.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষা ও শহীদ দিবসের ঐতিহাসিক বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষা ও শহীদ দিবসের ঐতিহাসিক বক্তব্য

শুক্রবার রাত ২০ ফেব্রুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ভাষণ উপস্থাপন করেন। তিনি এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দিবসকে একত্রে উদযাপন করে জাতির ঐতিহ্য ও আত্মত্যাগের স্মৃতি তীব্রভাবে তুলে ধরেছেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি ভাষা ও শহীদদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মাতৃভাষা বাংলা এবং বিশ্বের সকল ভাষাভাষী জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানোই এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। তিনি এই শুভেচ্ছা সকল জাতিগোষ্ঠীর প্রতি সমানভাবে প্রকাশ করেছেন।

তারপর তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শিহরণময় দিনকে স্মরণ করে বলেন, সেই সময়ের শহীদদের আত্মত্যাগের ফলে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী তালিকাভুক্ত করেন, আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও বহু শহীদ ভাষা আন্দোলনের সময় প্রাণ দিয়েছেন। তাদের ত্যাগের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার স্বাধীনতার প্রথম সোপান গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি ভাষা আন্দোলনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত করে বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মদানের ধারায় গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের তীব্রতা ও দৃঢ়তা বাড়িয়েছে। এভাবে ভাষা ও স্বাধীনতা একে অপরের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বাংলা ভাষা জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান উপাদান। তিনি উল্লেখ করেন, ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করেছে। এই স্বীকৃতি বিশ্বব্যাপী ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা এই চেতনার মূল ভিত্তি, যা দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারকে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে গৃহীত নীতিগুলি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে মজবুত করতে এবং জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে লক্ষ্যভিত্তিক।

তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ধারাবাহিক প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেন। এ সবের মধ্যে তিনি ভাষা শহীদদের আদর্শকে সর্বদা স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য জাতীয় স্তরে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি দেশের ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মিডিয়ার ভূমিকা জোর দিয়ে তুলে ধরেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ভাষা সংরক্ষণের সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

শেষে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ভাষা ও সংস্কৃতির সংরক্ষণে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভাষা অধিকারকে বিশ্বমঞ্চে আরও দৃঢ় করবে। এভাবে দেশীয় ও বৈশ্বিক স্তরে ভাষা সংরক্ষণে একসাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments