ঢাকার রোড ট্রান্সপোর্ট, রেলওয়ে ও শিপিং মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রাবিউল আলমের ট্যাক্স সংক্রান্ত মন্তব্যের পর জামায়াত-এ-ইসলামির আমীর শাফিকুর রহমান ফেসবুকে সরকারকে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন গঠিত সরকারের রোড ও সেতু মন্ত্রীর বক্তব্যের ভিত্তিতে কি কোনো ধরনের ‘বৈধ লুট’কে রাষ্ট্রীয়করণ করা হচ্ছে? এই প্রশ্নের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নাগরিকদের লালন-সাহায্য আহ্বান জানান।
গতকাল মন্ত্রী রাবিউল আলম রোড ট্রান্সপোর্ট ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রেস কনফারেন্সে জানিয়েছেন, সড়কে পরিবহন অপারেটরদের থেকে মালিক ও কর্মী সমিতির নামে গৃহীত অর্থকে ‘লুট’ বলা যায় না। তিনি যুক্তি দেন, এই অর্থগুলো সমিতির কল্যাণে ব্যবহার করা হয় এবং তা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সংগ্রহ করা হয়।
মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সড়কে ‘লুট’ হিসেবে বিবেচিত হওয়া অর্থ তখনই হয় যখন কোনো ব্যক্তি বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান করে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে দিতে বাধ্য হয়। তিনি উল্লেখ করেন, মালিক ও কর্মী সমিতির মাধ্যমে গৃহীত তহবিলগুলো কোনো লিখিত নীতি নয়, বরং একটি অপ্রকাশিত রীতি হিসেবে কাজ করে।
শেখ রাবিউল আলমের এই মন্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নাগরিক ও বিশ্লেষকরা মন্ত্রীর ব্যাখ্যাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, এমন রীতি কি সত্যিই স্বচ্ছ এবং ন্য



