23.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধকিশোরগঞ্জে চাকরির পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে প্রার্থীর ২৮ দিন জেল শাস্তি

কিশোরগঞ্জে চাকরির পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে প্রার্থীর ২৮ দিন জেল শাস্তি

কিশোরগঞ্জের সরকারি বয়সী হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত ডেপুটি কমিশনারের অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে এক প্রার্থীকে মোবাইল কোর্টে ২৮ দিনের জেল শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জ গাভর্নমেন্ট বয়সী হাই স্কুলের প্রাঙ্গণে, যেখানে বহু প্রার্থী একসাথে লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। সরকারী আদেশ অনুসারে পরীক্ষার সময় কোনো ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল।

অভিযোগিত ব্যক্তি হলেন ২৯ বছর বয়সী সুব্রত দাশ, যিনি মিঠাময়িন উপজেলা, বারাহাটি গ্রাম থেকে আসা, মৃত সুদাংশু দাশের পুত্র। তিনি নিয়োগ কমিটির নজরে এসে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অনুचित সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে ধরা পড়েন।

প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মীরা সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করে দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং সুব্রত দাশকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করার সময়ই আটক করেন। তার এই কাজটি সরকারী নির্দেশাবলীর সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, যিনি নিয়োগ কমিটির সভাপতি, ঘটনাটির তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুব্রত দাশকে গ্রেফতার করা হয়।

অধিকাংশ সময়ের মধ্যে গ্রেফতারকৃত প্রার্থীর ওপর মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম শুরু হয়। কোর্টের অধিক্ষেত্র ছিল মোবাইল কোর্টের প্রধান, মো. রিয়াদ হোসেন, যিনি কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে ছিলেন।

মোবাইল কোর্টে উপস্থিত হয়ে সুব্রত দাশের বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে অনিয়ম করা, যা সরকারি আদেশের বিরোধী, এই অভিযোগে রায় দেওয়া হয়। কোর্টের রায়ে তাকে ২৮ দিন জেল শাস্তি এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত দুই দিন জেল শাস্তি আরোপের বিধান রয়েছে। এই শর্তটি আদালতের আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে শাস্তির কার্যকারিতা নিশ্চিত করা যায়।

এই রায়ের ভিত্তি হল সরকারী আদেশের লঙ্ঘন, যা নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য অপরিহার্য। ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহারকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, এবং এই ধরনের লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হয়।

কোর্টের রায়ের পর, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি রেকর্ডে সংরক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। ভবিষ্যতে অনুরূপ লঙ্ঘন রোধে নিয়োগ কমিটি অতিরিক্ত নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

অধিক তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের রাজস্ব বিভাগ এবং স্থানীয় পুলিশ একত্রে কাজ করবে, যাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সকল ধাপ সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। কোনো অতিরিক্ত অভিযোগ বা প্রমাণ উদ্ভব হলে তা আইনি পথে অনুসন্ধান করা হবে।

এই ঘটনার মাধ্যমে দেখা যায়, সরকারি নিয়মাবলী লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিক শাস্তি আরোপ করা হয় এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার ন্যায়বিচার রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ভবিষ্যতে প্রার্থীরা এই রকম অনিয়ম থেকে বিরত থাকবেন, এটাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments