23.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থার অদক্ষতা বাড়িয়ে দিচ্ছে আমদানি ও পণ্যের খরচ: অর্থ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থার অদক্ষতা বাড়িয়ে দিচ্ছে আমদানি ও পণ্যের খরচ: অর্থ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম শহরের মেহেদিবাগে আজ সাংবাদিকদের সামনে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান খান চৌধুরী দেশের অর্থনীতিকে “কঠিন ও স্থবির” বলে বর্ণনা করেন। তিনি দারিদ্র্যের বৃদ্ধি, বিনিয়োগের হ্রাস এবং কর্মসংস্থানের সংকোচনকে বর্তমান অর্থনৈতিক সমস্যার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মন্ত্রীর মতে, কাঠামোগত সংস্কার, অংশগ্রহণমূলক বাজেট এবং আত্মবিশ্বাসভিত্তিক মূলধন বাজার গঠনই অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রধান অগ্রাধিকার। এসব নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা হবে।

একই দিনে আহসান খান চৌধুরী চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্দর ও শুল্ক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক পরিচালনা করেন। বৈঠকে বন্দর ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ও সংশ্লিষ্ট স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর অদক্ষতা আমদানি পণ্যের খরচ এবং পণ্য ক্লিয়ারেন্সের সময় বাড়িয়ে তুলেছে। ফলে বাজারে পণ্যের দাম ও শিল্প উৎপাদনের খরচ উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত সাধারণ জনগণের উপরই চাপিয়ে দেওয়া হয়। শুল্ক, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহন খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বেশ কয়েকটি বাধা চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৈঠকে কিছু জরুরি সিদ্ধান্ত তৎক্ষণাৎ নেওয়ার কথা বলা হয়, আর আন্তঃমন্ত্রীর বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। রমজান মাসে পণ্য ক্লিয়ারেন্স দ্রুততর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে সরবরাহ স্থিতিশীল থাকে।

আহসান খান চৌধুরী এছাড়াও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ভূমিকা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। কমিশনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে বিনিয়োগকারীর আস্থা পুনরুদ্ধার, শক্তিশালী কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনা এবং দেশীয় ও বিদেশি মূলধন আকর্ষণ করা হবে।

আসন্ন বাজেটের মূল লক্ষ্য হবে সমান সুযোগের পরিবেশ তৈরি করা, পৃষ্ঠপোষকতা ভিত্তিক রাজনীতি শেষ করা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বিস্তৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এ ধরনের নীতি কাঠামো দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বাড়াবে বলে মন্ত্রী আশাবাদী।

মন্ত্রীর মতে, ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে বৃহৎ প্রকল্পের জন্য নেওয়া ঋণগুলো প্রায়শই দুর্নীতির কারণে প্রত্যাশিত উৎপাদনমূল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই পরিস্থিতি আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি স্বরূপ।

অবৈধভাবে সঞ্চিত অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকার-সরকারি উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই প্রচেষ্টা দেশের আর্থিক স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সহায়তা করবে।

এইসব ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের অর্থনৈতিক নীতি ও বন্দর ব্যবস্থার সংস্কার ভবিষ্যতে রাজনৈতিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে। মন্ত্রীর উল্লেখিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে আমদানি খরচ হ্রাস, শিল্পের প্রতিযোগিতা বাড়া এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments