23.7 C
Dhaka
Saturday, February 21, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিদিল্লি ভারত-বাংলাদেশের বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অধিকতর জোরদার করার ইচ্ছা জানিয়েছে

দিল্লি ভারত-বাংলাদেশের বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অধিকতর জোরদার করার ইচ্ছা জানিয়েছে

দিল্লি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল শুক্রবারের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রত্যাশা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) জয়লাভের পর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নতুন রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এই শুভেচ্ছা ভারত-বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরে অনুষ্ঠিত নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চিঠি তারেক রহমানের হাতে হস্তান্তর করেন, যা দুই দেশের উচ্চস্তরের সংযোগকে চিত্রিত করে।

চিঠিতে ভারতের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এটি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর সংকেত দেয়।

জয়সওয়াল বলেন, উষ্ণ ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে ভারত বাংলাদেশকে বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে। তিনি এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

ব্রিফিংয়ে ভিসা প্রক্রিয়ার উন্নয়ন সম্পর্কেও আলোচনা হয়েছে। দু’দেশের নাগরিক চলাচল সহজতর করতে ভিসা নিয়মাবলী পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা করা হবে।

রনধীর জয়সওয়াল জানান, এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ সরকার এবং দিল্লির মধ্যে পর্যায়ক্রমে আলোচনা চালিয়ে যাবে। আলোচনাগুলি নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন স্তরে পরিচালিত হবে।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, এই সংলাপ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাবে এবং সম্পর্কের ব্যবহারিক দিকগুলোতে সমাধান খুঁজে বের করা হবে। লক্ষ্য হল পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

এই বিবৃতি ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা যায়। বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারতের সমর্থন স্পষ্ট হয়েছে।

বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, সম্পর্কের গভীরতা বাড়লে বাণিজ্য, অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং মানবিক সংযোগে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে, যদিও সরকার এখনও নির্দিষ্ট প্রকল্পের কথা প্রকাশ করেনি।

আসন্ন আলোচনায় ভিসা সুবিধা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় মেকানিজমের ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে বলে আশা করা যায়। এই বিষয়গুলো দু’দেশের নাগরিক ও ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

পূর্বে দু’দেশের মধ্যে পদ্মা সেতু, জ্বালানি সহযোগিতা এবং পরিবহন সংযোগের মতো যৌথ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমান সংলাপ এই সাফল্যকে আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে কাজ করবে।

ভারতীয় পক্ষ বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে পারস্পরিক সমৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রস্তুত। এই সহযোগিতা উভয় দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ব্রিফিং শেষে রনধীর জয়সওয়াল ইঙ্গিত দেন, আলোচনার অগ্রগতি অনুযায়ী অতিরিক্ত বিবৃতি প্রকাশ করা হবে এবং সম্পর্কের নতুন মাত্রা গড়ে তোলার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments