30.9 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধনন্দিগ্রাম মসজিদে ত্রাওয়েহের পর ১৬ বছর বয়সী ছাত্রের ছুরি হামলা

নন্দিগ্রাম মসজিদে ত্রাওয়েহের পর ১৬ বছর বয়সী ছাত্রের ছুরি হামলা

বগুড়া জেলার নন্দিগ্রাম উপজেলার মসজিদে রাতের ত্রাওয়েহের শেষের পর ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে গোষ্ঠী আক্রমণ করে ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি গত রাতেই ঘটেছে এবং স্থানীয় পুলিশ ও স্বয়ংসম্পৃক্ত বাসিন্দা দুজনেই তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।

মৃতদেহের পরিচয় মিলন রহমান হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে; তিনি নন্দিগ্রামের বুরাইল গ্রাম থেকে আসা এবং বুরাইল হাই স্কুলে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, মিলন প্রায় দশম শ্রেণির শেষ বর্ষে পড়ছিল এবং শিক্ষায় উজ্জ্বল ছিলেন।

সাক্ষীদের মতে, ত্রাওয়েহের নামাজ শেষ হওয়ার পর মিলন মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখনই দশ থেকে বারো জনের একটি গোষ্ঠী, একাধিক মোটরসাইকেলে সজ্জিত, শামিম নামের এক যুবকের নেতৃত্বে উপস্থিত হয়। গোষ্ঠীটি মিলনের দিকে ছুরি চালিয়ে একাধিকবার আক্রমণ করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

আক্রমণ শোনার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাসীরা মিলনের দিকে দৌড়ে গিয়ে তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন। আহত কিশোরকে দ্রুত নিকটস্থ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ডাক্তারেরা জানায় যে, শিরা রক্তক্ষরণ এবং শ্বাসকষ্টের কারণে মিলনকে জীবিত ঘোষণা করা সম্ভব নয়; তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

নন্দিগ্রাম থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ মিজানুর রহমান ঘটনাটির তদন্তে জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, শামিম এবং তার সহচরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পরিবার থেকে পাওয়া যায়নি এবং কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়নি। বর্তমানে দেহটি হাসপাতালের মরগে রাখা হয়েছে এবং অটোপসি করা হবে।

পুলিশের মতে, আক্রমণের পেছনে পূর্বের কোনো বিরোধের সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা নিশ্চিত করা এখনও বাকি। তদন্তের অংশ হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দা ও সম্ভাব্য সাক্ষীদের কাছ থেকে বিবরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। শামিমের পরিচয় ও গোষ্ঠীর গঠন সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অধিক তথ্য না থাকলেও, নন্দিগ্রাম থানার তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রমাণ সংগ্রহ এবং সিআরটি ক্যামেরা রেকর্ড চেক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনও নিরাপত্তা বাড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে।

এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা সমাজের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। কর্তৃপক্ষের আহ্বান যে, কোনো ধরনের হিংসা বা গোষ্ঠীমূলক অপরাধে সংশ্লিষ্ট তথ্য জানলে তা সঙ্গে সঙ্গে জানাতে, যাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া যায় এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments