30.9 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধএপস্টেইন এস্টেট ৩৫ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা স্বীকার করে শিকারদের মামলা শেষের পথে

এপস্টেইন এস্টেট ৩৫ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা স্বীকার করে শিকারদের মামলা শেষের পথে

ম্যাঙ্কেটন ফেডারেল আদালতে দাখিল করা এক নথিতে দেখা যায়, জেফ্রি এপস্টেইনের সম্পদ পরিচালনাকারী সংস্থা শিকারদের একত্রিত মামলা সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ মিলিয়ন ডলার প্রদান করতে সম্মত হয়েছে। এই সমঝোতা দুইজন আর্থিক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে যৌন পাচার সহায়তার অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে গৃহীত হয়েছে, যাদের নাম হল ড্যারেন ইন্ডাইকে এবং রিচার্ড কান। আদালতের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই এই মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি পাবে।

শিকারদের প্রতিনিধিত্বকারী বয়েস শিলার ফ্লেক্সনার আইন সংস্থা এই সমঝোতার তথ্য একটি সংক্ষিপ্ত নথিতে প্রকাশ করেছে, যা ফেডারেল কোর্টে দাখিল করা হয়েছে। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, এই সমঝোতা শিকারদের জন্য আর্থিক সহায়তার গোপন পথ উন্মুক্ত করবে, যাদের পূর্বে সম্পদের বিরুদ্ধে কোনো দাবি সমাধান করা হয়নি।

ড্যারেন ইন্ডাইকে এবং রিচার্ড কান, যাঁরা এপস্টেইনের সম্পদের সহ-নির্বাহী, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ২০২৪ সালের মামলা এখন শেষের দিকে। উভয়ই পূর্বে কোনো অপরাধ স্বীকার করেননি এবং তাদের আইনজীবী ড্যানিয়েল হে. ওয়েইনারের মতে, তারা প্রাথমিকভাবে মামলাটি ট্রায়াল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তবে চূড়ান্ত সমাধানের জন্য মধ্যস্থতা বেছে নিয়েছেন।

এপস্টেইনের সম্পদ পূর্বে শিকারদের জন্য একটি পুনর্বাসন তহবিল গঠন করে ১২১ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করেছে। তাছাড়া অতিরিক্ত ৪৯ মিলিয়ন ডলার অন্যান্য চুক্তির মাধ্যমে শিকারদের প্রদান করা হয়েছে। এই আর্থিক ব্যবস্থা শিকারদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।

আইনজীবী ওয়েইনারের মতে, সমঝোতা শিকারদের জন্য গোপন আর্থিক সহায়তার একটি ব্যবস্থা তৈরি করবে, যাতে তারা পূর্বে না সমাধান করা দাবিগুলি পূরণ করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেছেন, উপদেষ্টারা কোনো ভুল স্বীকার না করেও এই সমঝোতা গ্রহণ করেছেন, যা ভবিষ্যতে সম্পদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দাবিগুলি বন্ধ করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

জেফ্রি এপস্টেইন ২০১৯ সালের আগস্টে নিউ ইয়র্কের একটি জেলখানায় আত্মহত্যা করে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর থেকে তার সম্পদ ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের ওপর বহু তদন্ত চালু হয়েছে। এই সমঝোতা সেই ধারাবাহিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শিকারের আইনজীবীরা দাবি করেন, ইন্ডাইকে এবং কান এপস্টেইনের জন্য জটিল কর্পোরেট গঠন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নেটওয়ার্ক তৈরি করতে সহায়তা করেছেন, যা তার অপরাধমূলক কার্যকলাপ গোপন রাখতে এবং শিকার ও রিক্রুটারদের অর্থ প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। এই গঠন শিকারের জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করলেও, অপরাধের পরিধি বাড়িয়ে দেয়।

বয়েস শিলার ফ্লেক্সনার সংস্থা পূর্বে জেপি মরগ্যান চেজ এবং ডয়েচে ব্যাংকের বিরুদ্ধে ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার সমঝোতা অর্জন করেছিল, যেখানে এপস্টেইনের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্কের সময় সতর্কতা অবহেলার অভিযোগ করা হয়েছিল। এই পূর্বের চুক্তিগুলি এপস্টেইনের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর আন্তর্জাতিক নজরদারির গুরুত্বকে তুলে ধরে।

এই সমঝোতা এখন বিচারকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া মাত্রই শিকারের জন্য আর্থিক সহায়তা কার্যকর হবে এবং এপস্টেইনের সম্পদের ওপর আর কোনো নতুন দাবি দায়ের করা যাবে না। আইনগত প্রক্রিয়ার এই শেষ ধাপটি শিকারের জন্য দীর্ঘ সময়ের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ সান্ত্বনা প্রদান করবে।

অবশিষ্ট বিষয়গুলোতে, আদালত সমঝোতার শর্তাবলী গোপন রাখার নির্দেশ দেবে, যা শিকারের গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা বজায় রাখবে। ভবিষ্যতে এপস্টেইনের সম্পদের ব্যবস্থাপনা ও শিকারের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কোনো নতুন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা আবার আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments